ঢাকা , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ , ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এক সপ্তাহ পর ইরানে আংশিকভাবে ফিরল মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এখনো বন্ধ জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা: ‘দায়মুক্তি আইন’ অনুমোদন লক্ষ্মীপুরে এনআইডি সংগ্রহ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ: আহত ১৩, সদর হাসপাতালে উত্তেজনা জীবননগরে বিএনপি নেতা শামসুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন: নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের দাবি পরিবারের জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত: ২৫৩ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা গ্যাস বিল নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ: গ্রাহকদের সতর্ক করল তিতাস একদিনে রাজধানীর পাঁচ স্থানে অবরোধ, দিনভর ভোগান্তি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করতে ডাকসুর ১৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হলে ন্যাটো আরও শক্তিশালী হবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে দেশে প্রথমবার চালু হলো টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ও ‘মুন অ্যালার্ট’ কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স জোরদারে ৬০ হাজার চালক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ সরকারের ইসিতে চতুর্থ দিনে ৫৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, ১৫টি আপিল খারিজ ইরান ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশ, সহিংসতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা যুদ্ধের প্রস্তুতির বার্তা ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে ঢাকায় বসছে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলন শাবিপ্রবিতে মধ্যরাতে উত্তাল ক্যাম্পাস: ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে ভয়াবহ আগুন: নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৪ ইউনিট চার মিশনের প্রেস সচিবকে অবিলম্বে দেশে ফেরার নির্দেশ মোবাইল অ্যাপেই রিচার্জ হবে মেট্রোরেলের কার্ড: লাইনে দাঁড়ানোর দিন শেষ! ইমানদারের প্রকৃত পরিচয় কী: কুরআন ও হাদিসের আলোকে চরিত্রের মানদণ্ড

গানের শিক্ষক নিয়োগে বিতর্ক: শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রশ্ন, কাদের খুশি করা হচ্ছে?

  • আপলোড সময় : ০৪-০৯-২০২৫ ১১:১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৯-২০২৫ ১১:১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
গানের শিক্ষক নিয়োগে বিতর্ক: শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রশ্ন, কাদের খুশি করা হচ্ছে? ছবি: সংগৃহীত
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে গানের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বর্তমানে দেশের ৬৫ হাজার ৫০০-এর বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। গানের শিক্ষক নিয়োগের জন্য নির্ধারিত কোটার পরিমাণ ১৫ শতাংশ।
 
তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ-সহ সচেতন নাগরিকগণ। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, এ দেশে কত শতাংশ মানুষ তাদের সন্তানকে গান শেখাতে চায়? আবার কতজন অভিভাবক চান, বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক থাকুক? বাস্তবে অধিকাংশ অভিভাবকই চান না, তাদের সন্তান স্কুলে গান শেখে। বরং প্রায় সবাই সন্তানের জন্য আলাদা ধর্মীয় শিক্ষক রাখেন অথবা মক্তবে পাঠান।
 
তাঁর মতে, সরকার যদি স্কুলে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করত, তাহলে অভিভাবকদের বাড়তি খরচ ও ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলত এবং শিক্ষার্থীদের সময়ও বাঁচত। অথচ শিক্ষার মান যেখানে প্রতিদিন অবনতির দিকে যাচ্ছে, সেখানে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে গানের শিক্ষক নিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
 
বর্তমানে রাষ্ট্র প্রাথমিক শিক্ষায় প্রতি মাসে হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলেও মানোন্নয়ন হচ্ছে না। শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা জোরদার করা এখন জরুরি। অন্যথায় প্রাথমিক শিক্ষা অভিভাবকদের কাছে আস্থাহীন হয়ে পড়বে এবং কিশোর গ্যাংসহ সামাজিক অপরাধের ঝুঁকি বাড়বে।
 
শায়খ আহমাদুল্লাহর দাবি, “গণ-আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে বাইরের সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার চিরাচরিত পথ থেকে বের হয়ে আসা দরকার।”

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এক সপ্তাহ পর ইরানে আংশিকভাবে ফিরল মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এখনো বন্ধ

এক সপ্তাহ পর ইরানে আংশিকভাবে ফিরল মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এখনো বন্ধ