ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ , ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান

পুত্রা মসজিদ: মালয়েশিয়ার আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের মহিমান্বিত নিদর্শন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০৮-২০২৫ ০৯:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৮-২০২৫ ০৯:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১০৩ বার পঠিত
পুত্রা মসজিদ: মালয়েশিয়ার আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের মহিমান্বিত নিদর্শন পুত্রা মসজিদ, মালয়েশিয়া। সংগৃহীত ছবি

মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা পুত্রা মসজিদ দেশটির অন্যতম আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যকীর্তি হিসেবে পরিচিত। রাজধানী কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই মসজিদটি দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। গোলাপি গ্রানাইটে নির্মিত গম্বুজ ও আকাশছোঁয়া মিনার ঘেরা স্থাপনাটি দিন ও রাতের ভিন্ন ভিন্ন আবহে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
 

পুত্রা মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৭ সালে এবং মাত্র দুই বছরের মধ্যেই এটি সম্পন্ন হয়। ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলে মসজিদটি মালয়েশিয়ার জাতীয় গর্বে পরিণত হয়। প্রায় ২৫০ মিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিংগিত ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের স্থাপত্যশৈলীতে মালয়েশিয়ান, পারসিয়ান ও আরব-ইসলামিক ধারা মিলেমিশে গেছে। বিশেষভাবে নজরকাড়া প্রধান গম্বুজটির উচ্চতা প্রায় ১৬০ ফুট, আর সঙ্গে থাকা মিনারটি ৩৮১ ফুট উঁচু—যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মিনার।
 

স্থাপনাটির নকশায় প্রাচীন পারস্যের পাবলিক বিল্ডিং গেটের আদল ব্যবহার করা হয়েছে, আর অভ্যন্তরে প্রতিফলিত হয়েছে স্থানীয় কারুশিল্প ও দেশীয় উপকরণের নিখুঁত সংমিশ্রণ। মসজিদটি তিনটি মূল অংশে বিভক্ত—প্রধান নামাজ কক্ষ, প্রাঙ্গণ (সাহান) এবং শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমের জন্য পৃথক কক্ষ। নামাজ কক্ষে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন, আর প্রাঙ্গণে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ সমবেত হওয়ার সুযোগ পান।
 

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মসজিদটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তবে নামাজের সময়ে অমুসলিম পর্যটকদের প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য ধূমপান নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে এবং নারী পর্যটকদের জন্য বিশেষ পোশাক ও মাথা ঢাকার ব্যবস্থা প্রবেশদ্বার থেকেই দেওয়া হয়।
 

পুত্রা মসজিদের আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ হলো এর রাতের সৌন্দর্য। রঙিন আলোকসজ্জায় গম্বুজ ও মিনারের প্রতিচ্ছবি যখন পাশের লেকের জলে প্রতিফলিত হয়, তখন পুরো পরিবেশ যেন স্বপ্নময় আবহ তৈরি করে। মসজিদের সামনে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যের পতাকা দোলায়িত হতে দেখা যায়, যা স্থাপনাটির মর্যাদাকে আরও বর্ধিত করে।
 

শুধু নামাজের স্থান হিসেবেই নয়, পুত্রা মসজিদ আজ মালয়েশিয়ার জাতীয় পরিচয়ের অংশ এবং আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। তাই মালয়েশিয়া ভ্রমণে গেলে পুত্রজায়ার এই মসজিদটি ভ্রমণতালিকায় রাখা পর্যটকদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।