বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের ভিত্তিহীন দাবির কারণে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দূতাবাস সংশোধন চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন এবং এই ধরনের তথ্য দেয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। প্রতিবেদনটি ইউরোপর বেঠিক নিষেধাজ্ঞা পুনরাবৃত্তি রোধে ইরানের পরিকল্পনার বিষয়ে ছিল; তবে দেশটি স্পষ্টভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশেষভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের নতুন সচিব আলী লারিজানিকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদনটি তৈরি হলেও, তাতে ভূমিকম্পরূপ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে চলছে জটিল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা, যেখানে বিভ্রান্তিকর ও অপ্রমাণিত তথ্য তৈরি হওয়া সহজ। ইরান দূতাবাসের আপত্তি ও বিরোধিতার পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে যা পরমাণু সমৃদ্ধকরণের সত্যিকারের অবস্থা ও পরিকল্পনা নিয়ে সংশয় দূর করতে সাহায্য করে।