বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) পরিচালিত নদী থেকে সেচের পানি উত্তোলন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সচিব এ তথ্য জানান। তিনি আরও বলেন, সারের অতিরিক্ত ব্যবহার অনেক সময় কৃষকদের অজ্ঞতা ও অসচেতনতার ফলেই হচ্ছে। সরকার এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকির মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছে। শুধু সারের জন্যই কৃষি বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা বছরে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
বরেন্দ্র অঞ্চলের পানিসংকট প্রসঙ্গে সচিব জানান, রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদের কম পানি ব্যবহারকারী ফসলের দিকে ঝুঁকতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও তা কৃষিতে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে নতুন করে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।
পরিদর্শনকালে কৃষি সচিব মহানন্দা ও পূর্ণভবা নদীর মোহনা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। পরে তিনি গোমস্তাপুর উপজেলা বিএমডিএ কার্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন এবং কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।