এই ওষুধের প্রতিটি ৫০ মিলিগ্রাম ইনজেকশনের বাজারমূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। বিশেষ পরিস্থিতিতে, যেমন স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের পর যদি দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া যায় এবং রক্তক্ষরণ না থাকে, তাহলে এ ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগী সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
রাজশাহী মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ান বিশ্বখ্যাত সংগঠন ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন, ডিরেক্ট রিলিফ এবং এঞ্জেল ইনিশিয়েটিভের সঙ্গে সমন্বয় করে ওষুধগুলো দেশে আনতে সফল হন। এ কাজে তাকে সহায়তা করেছেন হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আজিজুল হক (আজাদ)।
শীর্ষ শ্রেয়ান জানান, গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত থাকার সুবাদে তার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর যোগাযোগ হয়। সেই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী মেডিকেলের চাহিদা জানানো হলে ডিরেক্ট রিলিফ বিনামূল্যে এই ওষুধ সরবরাহ করে। হাসপাতালের পরিচালক, মেডিসিন বিভাগ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সমন্বয়ে ওষুধগুলো সম্প্রতি হাসপাতালে পৌঁছেছে।
অধ্যাপক আজিজুল হক বলেন, এই ইনজেকশন দিয়ে প্রায় ৫০০ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। ওষুধগুলোর মেয়াদ ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। বুধবার থেকে রোগীদের মধ্যে এগুলো প্রয়োগ শুরু হয়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ বলেন, এত বৃহৎ পরিমাণ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ এই হাসপাতালের জন্য প্রথমবার পাওয়া গেল। যা স্বাস্থ্যসেবায় একটি বড় ইতিবাচক সংযোজন হবে।