ঘটনার পরপরই স্থানীয় মহেশখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় চকরিয়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আরও ৩টি ইউনিটকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানিয়েছেন, স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডের ভেতরে থাকা দাহ্য পদার্থ বা পরিত্যক্ত মালামাল থেকে আগুনের তীব্রতা বাড়তে পারে। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তিনি নিজে পরিস্থিতি তদারক করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে সংরক্ষিত এলাকার স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো, তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিক লক্ষ্য হিসেবে আগুনকে মূল পাওয়ার প্ল্যান্টের স্থাপনা থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট