সম্প্রতি সাবেক অর্থ সচিব ও পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দ্রুত জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেহেতু ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, তাই সময় স্বল্পতার কারণে এই মুহূর্তে বড় কোনো আর্থিক সংস্কার বা নতুন স্কেল কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এই প্রতিবেদনের সুপারিশগুলোই পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য প্রধান রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের বেতন কাঠামোতে বৈষম্য কমাতে ১:৮ অনুপাত চূড়ান্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, সর্বনিম্ন গ্রেডের তুলনায় সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন হবে সর্বোচ্চ আট গুণ। সর্বনিম্ন বেতনের ক্ষেত্রে ২১ হাজার, ১৭ হাজার এবং ১৬ হাজার টাকার তিনটি পৃথক প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, দেশের বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনা করেই এই সময়োপযোগী কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আবাসন, শিক্ষা এবং নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বী মূল্যের বিষয়টিকে প্রধান সূচক হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে গঠিত এই কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তারা পূর্ণাঙ্গ সুপারিশমালা পেশ করবে।
ডেস্ক রিপোর্ট