আইন উপদেষ্টা জানান, আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলো সরকার দ্রুত প্রত্যাহার করে নেবে এবং এই সংক্রান্ত নতুন কোনো মামলাও গ্রহণ করা হবে না। দেশের কোথাও এ ধরনের কোনো মামলা ঝুলে আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। এর আগে গত ৮ জানুয়ারি অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন, জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের হাত থেকে নিরাপদ রাখা এবং তাদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতেই এই ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল আরও উল্লেখ করেন, জীবন বাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করা যোদ্ধাদের এই সুরক্ষা পাওয়া নৈতিক ও আইনি অধিকার। তিনি এই আইনের সাংবিধানিক ভিত্তি তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে এ ধরনের দায়মুক্তি আইন প্রণয়নের স্পষ্ট বৈধতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক নজির হিসেবে আরব বসন্তসহ বিভিন্ন সফল গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিপ্লবীদের সুরক্ষায় এমন আইন বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
ডেস্ক রিপোর্ট