চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫৫) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১০টায় জীবননগর পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়। জানাজা পরবর্তী দোয়া অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং হাজারো সাধারণ মানুষ অংশ নেন। সেনা হেফাজতে থাকাকালীন ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দাফন কার্য সম্পন্ন হওয়ার পর মরহুমের বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন, তার ভাইকে সেনা অভিযানের নামে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিচারের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা যেন কেবল মৌখিক সান্ত্বনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার ডাবলুর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
৫ই আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেনা অভিযানে আটক হওয়া কোনো নেতার এমন মৃত্যু স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষ ও বিএনপির তৃণমূল কর্মীদের মাঝে এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে জীবননগর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ডেস্ক রিপোর্ট