এদিনের শুনানিতে বেশ কিছু আলোচিত প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে। দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে চট্টগ্রাম-৯ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হকের আপিল নামঞ্জুর করেছে কমিশন। একই কারণে শেরপুর-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে। শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া প্রার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও, যাদের আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে তাদের কেউ কেউ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। তবে কমিশন সূত্র জানিয়েছে, নথিপত্র ও আইনি যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতেই প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী, আগামী ১৮ জানুয়ারির মধ্যে বাকি থাকা মোট ৬৪৫টি আপিলের নিষ্পত্তি সম্পন্ন করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারিত রয়েছে ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রতীক পাওয়ার পরপরই ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
ডেস্ক রিপোর্ট