কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের সড়ক নির্মাণের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি!
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৮-০১-২০২৬ ০৬:২৩:৪৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-০১-২০২৬ ০৬:২৯:০৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) অবৈধভাবে সড়ক নির্মাণের চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রাতের আঁধারে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে পাকা রাস্তা তৈরির সময় বিজিবির কঠোর বাধার মুখে কাজ বন্ধ করে নির্মাণ সরঞ্জাম সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ। বর্তমানে খলিশাকোঠাল সীমান্ত এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খলিশাকোঠাল সীমান্তের ৯৩৪ নম্বর মেইন পিলারের কাছে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার করলা এলাকায় বিদ্যমান কুর্শাহাট-দিনহাটা প্রধান সড়কের গা ঘেঁষেই নতুন করে একটি পাকা রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল বিএসএফ। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সীমান্ত থেকে ১৫০ গজের মধ্যে যেকোনো ধরনের স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ নিষিদ্ধ থাকলেও বিএসএফ কোথাও ৫০-৬০ গজ, আবার কোথাও ১০০ গজের মধ্যে মাটিভরাট ও নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি বিজিবির নজরে আসতেই তারা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয় এবং নির্মাণকাজে সরাসরি বাধা প্রদান করে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে খলিশাকোঠাল সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বালারহাট ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আবু তাহের এবং ভারতের পক্ষে মেঘ নারায়ণের কুঠি ক্যাম্পের ইন্সপেক্টর দীপক কুমার নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হলে বিএসএফ তাদের নির্মাণ সরঞ্জাম সরিয়ে নিতে শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিন ধরে বিএসএফ সদস্যরা রাতের গোপনীয়তা রক্ষা করে নতুন সড়কের কাজ এগিয়ে নিচ্ছিলেন। তবে বিজিবির সক্রিয় অবস্থানের কারণে তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শিমুলবাড়ী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার নরেশ চন্দ্র রায় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি নজরদারি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে আরও একটি উচ্চপর্যায়ের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।