তিনি বলেন, তরুণরা ভুল করতে পারে, তবে অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে তারা একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলবে। তার মতে, নতুন প্রজন্ম অতীতের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় বাংলাদেশকে ফিরতে দেবে না।
বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজায় গণহত্যা এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনকারী উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক জনমত পরিবর্তন, দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন জোটরাজনীতি এবং রোহিঙ্গা সংকটকেও তিনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে আখ্যায়িত করেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ প্রসঙ্গে তিনি শিক্ষা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য জাতীয় অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেও পড়াশোনায় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনীতি হতে হবে প্রতিষ্ঠান গঠন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য সুযোগ তৈরির মাধ্যম। ক্ষমতা অর্জনের প্রতিযোগিতা থাকলেও সেই ক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।