জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরুর আগেই ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে নিয়ে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে, তারা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও)-এর কর্মকর্তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান এবং বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ কারণে সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া অধিবেশনে আব্বাসের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, এবারের অধিবেশনে ফ্রান্স, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে। তবে তার আগেই যুক্তরাষ্ট্র এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে যাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ সদরদপ্তরের বিশেষ চুক্তির কারণে ফিলিস্তিনি মিশনের জন্য কিছু ছাড় বহাল থাকবে। তবুও প্রেসিডেন্ট আব্বাসসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাধারণ ভিসা পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিদল জাতিসংঘের মঞ্চে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে ব্যর্থ হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, শান্তি আলোচনার গুরুতর অংশীদার হিসেবে বিবেচিত হতে চাইলে ফিলিস্তিনকে অবশ্যই সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। একই সঙ্গে একতরফা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চাওয়ার প্রচেষ্টা ‘অকার্যকর’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।