জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ঘোষণার ফলে আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে পারবেন না ফিলিস্তিনি নেতা।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে বিস্ময় প্রকাশ করেছে মাহমুদ আব্বাসের দফতর। তাদের মতে, ভিসা প্রত্যাখ্যানের এই সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের ১৯৪৭ সালের হেডকোয়ার্টারস অ্যাগ্রিমেন্ট এর পরিপন্থী। চুক্তি অনুযায়ী, জাতিসংঘে যোগদানের জন্য বিদেশি কূটনীতিকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা, চরমপন্থা প্রতিরোধ এবং পররাষ্ট্রনীতির স্বার্থে ভিসা প্রত্যাখ্যান করার অধিকার তাদের রয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে হওয়া আলোচনায়ও ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান হয়নি কিংবা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে অগ্রগতি দেখা যায়নি। তারা এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানায়, জাতিসংঘে স্থায়ী মিশনে থাকা ফিলিস্তিনি মিশনের কর্মকর্তারা এ ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবেন। তাদের দাবি, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও পিএলও চরমপন্থা প্রত্যাখ্যান করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং একতরফাভাবে রাষ্ট্র স্বীকৃতির চেষ্টা করছে, যার ফলেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।