আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে জানা গেছে, উপসাগরীয় দেশগুলো ওয়াশিংটনকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছিল যে, ইরানে যেকোনো ধরনের মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এ ধরনের সংঘাত শুরু হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস নামাতে পারে। এই আশঙ্কার কথা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানানোর পর যুক্তরাষ্ট্র তার রণকৌশলে পরিবর্তন আনে। পাশাপাশি, ইরান সরকার দেশে চলমান বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সাময়িকভাবে স্থগিত রাখায় আলোচনার পথ আরও সুগম হয়েছে। যদিও পেন্টাগন তাদের সামরিক প্রস্তুতি পুরোপুরি গুটিয়ে নেয়নি, তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এখন কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের জন্য আরও সময় দিতে আগ্রহী।
(সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস)
(সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস)
ডেস্ক রিপোর্ট