বিশ্লেষকদের মতে, জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এই উত্তেজনার মূল কারণ। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই ট্রাম্পকে ‘মূল হত্যাকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সম্প্রতি ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চললে ট্রাম্প পাল্টা সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দেন, যার প্রতিক্রিয়ায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানার পাল্টা হুমকি দিয়ে এই বিতর্কিত ভিডিও প্রচার করল।
এই বৈরী পরিস্থিতির মুখে কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে ইতোমধ্যেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কিছু কর্মী সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই মুখোমুখি অবস্থান কেবল দুই দেশের মধ্যে নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান এবং ইরানের পাল্টা আক্রমণাত্মক প্রচারণার ফলে এই কূটনৈতিক সংঘাত এখন সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় রূপ নিয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট