ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ , ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী

গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক ১১ কোটি গ্রাহকের কাগুজে নথি ধ্বংসের অনুমতি চাইল

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০৯-২০২৫ ১১:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৯-২০২৫ ১১:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৫৯ বার পঠিত
গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক ১১ কোটি গ্রাহকের কাগুজে নথি ধ্বংসের অনুমতি চাইল ছবি: সংগৃহীত

বাংলালিংক ও গ্রামীণফোন তাদের কাছে থাকা ১১ কোটিরও বেশি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্যের কাগুজে কপি ধ্বংসের অনুমতি চেয়েছে। অপারেটর দুটি জানিয়েছে, এসব তথ্য ইতোমধ্যে ডিজিটালি সংরক্ষণ করা হয়েছে, ফলে হার্ডকপি রাখায় বাড়তি খরচ ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর কাছে কাগুজে নথি ধ্বংসের আবেদন করেছে তারা, যদিও নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।
 

বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মোবাইল অপারেটররা গ্রাহকের নাম, জন্মতারিখ, এনআইডিসহ প্রয়োজনীয় তথ্য কাগজের ফরমে সংগ্রহ করত। ২০১৮ সালের আগস্টে নতুন নির্দেশনা আসার পর থেকে এই তথ্য ইলেকট্রনিক ফরম্যাটে সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা শুরু হয়। ডিজিটাল আর্কাইভ সম্পন্ন হওয়ার পর অপারেটররা কাগুজে নথির প্রয়োজনীয়তা আর দেখছে না।
 

বাংলালিংক জানিয়েছে, তাদের কাছে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৭ কোটি ১০ লাখের বেশি গ্রাহকের কাগুজে নথি আছে, যার মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৯৪ লাখ কপি ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত। কোম্পানিটির করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স প্রধান তাইমুর রহমান বলেন, এসব নথি সংরক্ষণে প্রায় এক লাখ বাক্স একটি গুদামে রাখতে হচ্ছে, অথচ সব তথ্যের সফট কপি রয়েছে।

অন্যদিকে গ্রামীণফোন জানিয়েছে, তাদের কাছে মোট ২১ কোটির বেশি কাগুজে কপি আছে, যার মধ্যে ৮ কোটির বেশি ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানটির রেগুলেটরি ম্যানেজমেন্ট প্রধান ইমতিয়াজ শফিক বলেন, এই নথি সংরক্ষণে অর্ধেক ফুটবল মাঠের সমান জায়গা লাগছে এবং যেহেতু স্ক্যান কপি সংরক্ষিত আছে, কাগজগুলো পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) সম্ভব।

বিটিআরসি জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এসব ফাইল পুনঃনিরীক্ষণ করা হবে। বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল অপারেটর মিলে প্রায় ১৮ কোটি ৮৮ লাখ গ্রাহককে ভয়েস ও ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।