স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা অনেক সময় প্রয়োজনের তাগিদে দ্রুত অ্যাপ ডাউনলোড করেন, এতে ভুয়া বা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাপ ইনস্টল হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। নিরাপদ থাকার জন্য প্রথমেই অ্যাপের উৎস নিশ্চিত করা জরুরি। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে গুগল প্লে স্টোর এবং আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপল অ্যাপ স্টোরই সবচেয়ে নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত। অজানা ওয়েবসাইট বা এপিকে ফাইল থেকে অ্যাপ ইনস্টল করলে ম্যালওয়্যার প্রবেশের ঝুঁকি বেশি থাকে। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ‘প্লে প্রোটেক্ট’ ফিচারটি চালু থাকলে ক্ষতিকর অ্যাপ শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
অ্যাপ ইনস্টলের আগে ডেভেলপারের পরিচয় যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বাসযোগ্য ও পরিচিত ডেভেলপারের অ্যাপ সাধারণত বেশি নিরাপদ হয়। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের রিভিউ ও রেটিং খেয়াল করলে অ্যাপটির আচরণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। যদি একাধিক ব্যবহারকারী অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন, সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা প্রতারণার অভিযোগ করে থাকেন, তবে সেই অ্যাপ এড়িয়ে চলাই নিরাপদ। এছাড়া অ্যাপটির মোট ডাউনলোড সংখ্যা খুব কম হলে সেটি বিশ্বস্ত কিনা তা যাচাই করা প্রয়োজন।
অ্যাপ ইনস্টলের পর যেসব পারমিশন চাওয়া হয়, সেগুলোর যৌক্তিকতা বোঝা জরুরি। উদাহরণস্বরূপ, ছবি সম্পাদনার অ্যাপের জন্য গ্যালারি অ্যাক্সেস স্বাভাবিক, কিন্তু অপ্রয়োজনীয়ভাবে কন্ট্যাক্ট, কল লগ বা মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি চাইলে সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অনুমতিগুলোই চালু রাখা নিরাপদ।
নিরাপত্তা জোরদার করতে ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও সিকিউরিটি আপডেট নিয়মিত ইনস্টল করা উচিত। পাশাপাশি অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ ব্যবহার করে মাঝে মাঝে পুরো ফোন স্ক্যান করলে সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব। এসব সতর্কতা মেনে চললে স্মার্টফোনকে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে নিরাপদ রাখা অনেক সহজ হয়।
ডেস্ক রিপোর্ট