আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এই নতুন নজরদারি ব্যবস্থাকে রূপক অর্থে একটি “ম্যাজিক আই” বা জাদুকরী চোখ হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রকল্প উদ্বোধনের সময় তিনি জানান, এই এআই সিস্টেম একই সময়ে দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজর রাখতে সক্ষম হবে এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করবে। অপরাধীদের প্রতি কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি কৌতুকপূর্ণ স্বরে বলেন, এই আধুনিক ‘চোখ’ এড়িয়ে অপরাধ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে; অপরাধের পরিকল্পনা করলে তাদের হয়তো এখন থেকে ‘বোরকা’ পরে নিজেদের আড়াল করতে হবে।
প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের আড়ালে এই প্রজেক্টটি নিয়ে আলবেনিয়ার মানবাধিকার কর্মীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ৫ হাজার এআই ক্যামেরা স্থাপনের এই উদ্যোগ মূলত একটি ‘গণ-নজরদারি’ (Mass Surveillance) ব্যবস্থায় রূপ নিতে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন, এর ফলে সাধারণ নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়বে এবং এই বিশাল তথ্য ভাণ্ডারের অপব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। অপরাধ দমনের দোহাই দিয়ে নাগরিকদের ব্যক্তিস্বাধীনতাকে অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার এই বৈশ্বিক প্রবণতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও সমালোচনা চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট