মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তা সতর্কতা: নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশে নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-১২-২০২৫ ১০:৩১:২০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-১২-২০২৫ ১২:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ বৃদ্ধির আশঙ্কায় ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস দেশজুড়ে থাকা তাদের নাগরিকদের জন্য উচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। সোমবার সন্ধ্যায় দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ যত এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা তত ঘন ঘন এবং তীব্র হতে পারে। মার্কিন নাগরিকদের সকল প্রকার বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার এবং যেকোনো বড় সমাবেশের আশেপাশে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দ্রুত সংঘর্ষ ও সহিংসতায় রূপ নিতে পারে।
হালনাগাদ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।
যেকোনো ধরনের জরুরি সহায়তা বা প্রয়োজনে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সাথে যোগাযোগের জন্য বলা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন এবং জাতীয় গণভোট একযোগে অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ ঘোষণার পর থেকেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশে তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
সতর্কবার্তায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে মার্কিন নাগরিকদের কিছু জরুরি নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:
আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকা: নাগরিকদের সর্বদা নিজেদের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত থাকতে বলা হয়েছে।
যেকোন ধরনের ভিড় এবং রাজনৈতিক বিক্ষোভ কঠোরভাবে এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
যেকোন ধরনের ভিড় এবং রাজনৈতিক বিক্ষোভ কঠোরভাবে এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
হালনাগাদ ও সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।
যেকোনো ধরনের জরুরি সহায়তা বা প্রয়োজনে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সাথে যোগাযোগের জন্য বলা হয়েছে।
দূতাবাস মনে করিয়ে দিয়েছে যে, যেকোনো শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দ্রুত অপ্রত্যাশিতভাবে সহিংস সংঘর্ষে পরিণত হতে পারে। এ কারণে, নাগরিকদের ঝুঁকি এড়াতে জনসমাগম থেকে দূরে থাকার এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।