তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহারের জন্য আমদানি হওয়া টিএনটির প্রায় ৯০ শতাংশই আসে নাইট্রো–কেম থেকে; কারণ যুক্তরাষ্ট্র দেশে এই উপাদান উৎপাদন করে না। প্রতিষ্ঠানটি ইসরায়েলকেও সরাসরি টিএনটি সরবরাহ করে থাকে। গাজার বিধ্বস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বোমার অংশ ও ভিডিও বিশ্লেষণেও পোলিশ উৎসের ইঙ্গিত মিলেছে বলে দাবি প্রতিবেদনের।
আলোচনায় আরও বলা হয়, গাজায় মাত্র এক মাসে দুইটি পারমাণবিক বোমার সমপরিমাণ বিস্ফোরক ব্যবহারের পরও নাইট্রো–কেম নতুন রপ্তানি চুক্তি সই করেছে। ২০২৪ সালে Mk 80 বোমার জন্য প্রথম বড় চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের জন্য অতিরিক্ত ১,৮০০ Mk 84 বোমা অনুমোদন করে। এরপর ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি ২০২৯ সাল পর্যন্ত সরবরাহের লক্ষ্যে ৩১০ মিলিয়ন ডলারের ১৮,০০০ টন টিএনটি চুক্তি সম্পন্ন করে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ–শৃঙ্খল নিয়ে এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে ইউরোপ–মধ্যপ্রাচ্য অস্ত্র বাণিজ্য নীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট