ঢাকা , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার পণ্য উধাও দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক: ৭ মাসে জিডি প্রায় ১৬ হাজার ২০২৮ সালে বড় সংস্কার, ২০২৭ থেকেই নতুন শিক্ষাক্রম তিব্বতে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, ঝুঁকিতে গিরিওং বন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, বাগমারায় নানা অভিযোগ ফিরোজের নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, তিব্বতে নিহত ৭ কক্সবাজারে বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, অভিযুক্তেরও মৃত্যু নেপালে সহায়তায় ৩১ মিলিয়ন ডলার চাইলো রেড ক্রস সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও কারাদণ্ড তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সমীকরণ নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯, নতুন ঝুঁকি নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে বাংলাদেশিদের হতাহতের খবর নেই সরকারি বাড়ি বিক্রির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস ভুটানের রাজাকে ঢাকায় রাষ্ট্রপতির অভ্যর্থনা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক লালমনিরহাট সীমান্তে কৃষকদের ধস্তাধস্তির মুখে অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ

ইসলামে বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার শর্ত: সাক্ষী, ইজাব ও কবুলের বিধান

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৭-০৯-২০২৫ ১০:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৯-২০২৫ ১০:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন
  • ১ মিনিট পড়ার সময়
  • ১০৭ বার পঠিত
ইসলামে বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার শর্ত: সাক্ষী, ইজাব ও কবুলের বিধান ছবি সংগৃহীত

নারী-পুরুষের মধ্যে স্বাভাবিক আকর্ষণ থাকলেও ইসলাম সেই সম্পর্ককে বৈধ করার একমাত্র মাধ্যম হিসেবে বিয়েকে নির্ধারণ করেছে। তবে বিয়ে শুধুমাত্র একটি সামাজিক প্রথা নয়; বরং এটি ইসলামী শরিয়তের নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী সম্পন্ন হতে হয়। এসব শর্ত পূরণ না হলে বিয়ে শুদ্ধ হয় না।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, বিয়ের আকদ বা চুক্তি বৈধ হওয়ার জন্য অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি জরুরি। হাদিসে এসেছে— “অভিভাবক ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে হয় না।” (সহিহ ইবনে হিব্বান)

তবে সাক্ষী নির্দিষ্ট করে মনোনীত করাই একমাত্র শর্ত নয়। যদি মসজিদ বা জনসমাগমে পাত্র-পাত্রীর ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ) সম্পন্ন হয় এবং উপস্থিত মানুষজন তা প্রত্যক্ষ করে, তবে তারাও সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন।

বিয়ের মূল দুটি উপাদান হলো— ইজাব (প্রস্তাব) এবং কবুল (গ্রহণ)। সাধারণত কনের পক্ষ থেকে অভিভাবক ইজাব করেন এবং বর কবুল করেন। যদি কনের অভিভাবক তার সম্মতিসহ দুই সাক্ষীর উপস্থিতিতে প্রস্তাব দেন এবং বর স্পষ্টভাবে ‘কবুল করলাম’ বলেন, তবে সেই বিয়ে শরিয়ত অনুযায়ী বৈধ হবে।

এভাবে দেখা যায়, ইসলামে বিয়ে শুধু সামাজিক অনুষ্ঠান নয়, বরং সুনির্দিষ্ট নিয়মে পরিচালিত একটি চুক্তি। তাই বৈধ ভালোবাসার সম্পর্ক স্থাপনে ইসলামী নীতিমালা মেনে চলাই মুসলিম সমাজে বিয়ের মূল ভিত্তি।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।