দৈনন্দিন ছোট অভ্যাসেই মিলবে ব্যায়ামের উপকার, কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি
ব্যায়ামের জন্য আলাদা সময় না পেলেও ঘরের কাজ, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা ও পা নাড়ানোর মতো ছোট অভ্যাসে বাড়বে শারীরিক সক্রিয়তা, কমতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি।
- আপলোড সময় : ০৩-১১-২০২৬ ০৩:২৭:৪৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-১১-২০২৬ ০৩:৩৭:১৪ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ২০ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ইচ্ছাকৃত ব্যায়ামের বাইরে দৈনন্দিন চলাফেরার মাধ্যমে শরীরের যে শক্তি ব্যয় হয়, তাকে বলা হয় ‘ইনসিডেন্টাল এক্সারসাইজ’। এর আরেক নাম ‘নন-এক্সারসাইজ অ্যাক্টিভিটি থার্মোজেনেসিস’ বা এনইএটি। ঘুম, খাওয়া ও পরিকল্পিত ব্যায়ামের বাইরে শরীরের বিভিন্ন নড়াচড়া এর অন্তর্ভুক্ত।
নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক আনান্থা নারায়ানন জানান, বসে থাকার সময় পা নাড়ানো, কাঁধ ঘোরানো কিংবা বসার ভঙ্গি পরিবর্তন করাও শরীর সক্রিয় রাখে। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে পেশির কার্যক্রম কমে যায়, যা রক্ত চলাচল ও গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, স্থির বসে থাকার তুলনায় পা ঝাঁকানো বা এ ধরনের ছোট নড়াচড়ায় বেশি ক্যালরি খরচ হয়। একটি ছোট গবেষণায় অভ্যাসগত পা ঝাঁকানোর ফলে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি শক্তি ব্যয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের একটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র চার মিনিটের সংক্ষিপ্ত শারীরিক নড়াচড়া দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। যুক্তরাজ্যের ২২ হাজারের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা জানিয়েছেন, দৈনন্দিন এসব কর্মকাণ্ড দিনে ১১ ঘণ্টার বেশি বসে থাকার স্বাস্থ্যঝুঁকিও কিছুটা কমাতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সিঁড়ি ব্যবহার, বাজারের ব্যাগ বহন, শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা কিংবা ফোনে কথা বলার সময় হাঁটার মতো ছোট অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিয়মিত এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ব্যায়ামের জন্য আলাদা সময় না পেলেও শরীরকে সক্রিয় রাখা সম্ভব।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।