কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি
মাসে ২৫০ লিটার জ্বালানির সীমা নির্ধারণ, বছরে সাশ্রয় হতে পারে ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা
- আপলোড সময় : ৩০-১০-২০২৬ ১২:৩৮:২৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-১০-২০২৬ ১২:৩৮:২৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৯ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি গাড়ির জ্বালানি ব্যবহারের সীমা কমানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি গাড়িতে মাসে সর্বোচ্চ ২৫০ লিটার পেট্রল বা অকটেন অথবা ৩৫৮ ঘনমিটার সিএনজি ব্যবহার করা যাবে। অতিরিক্ত জ্বালানি বরাদ্দ ও অনিয়ম নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ডিএসসিসির মহাব্যবস্থাপক মো. মশিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে নতুন জ্বালানি ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করা হয়। আদেশে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জ্বালানি ব্যবহারের নীতিমালা না থাকায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুসরণ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে গণমাধ্যমের এক অনুসন্ধানে ডিএসসিসির কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত গাড়িতে মাসে ৪০০ থেকে ৬০০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য উঠে আসে। অথচ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ প্রাধিকারপ্রাপ্ত গাড়ির জন্য মাসিক জ্বালানি ব্যবহারের সীমা ২০০ লিটার এবং সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ লিটার।
অনুসন্ধানে অতিরিক্ত বরাদ্দের জ্বালানি বিক্রির অভিযোগও উঠে আসে। কোনো কোনো চালক বরাদ্দের অতিরিক্ত জ্বালানি বিক্রি করে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া কিছু কর্মকর্তা দাপ্তরিক কাজের বাইরেও সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন। এমনকি রোগী পরিবহনের জন্য নির্ধারিত অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে কর্মকর্তাদের বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের তথ্যও পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিএসসিসির অন্তত ৭৬ জন কর্মকর্তার গাড়িতে মাসিক জ্বালানি বরাদ্দ ২৫০ লিটারে সীমিত করা গেলে বছরে প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।