সেক্যুলারিজমে বিশ্বাস- ঈমান ভঙ্গের একটি কারণ
সেক্যুলারিজম কী ও এর উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন লেখক
- আপলোড সময় : ৩০-১০-২০২৬ ১২:০৮:৪৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-১০-২০২৬ ১২:০৮:৪৪ অপরাহ্ন
- ৭ মিনিট পড়ার সময়
- ২৫ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
সংগৃহীত: ‘ঈমান-আকীদা বই থেকে’
লেখক : শায়খ Sayed Ahmad হাফি.
সেক্যুলারিজমে একজন ব্যক্তিকে সমাজ, রাজনীতি, রাষ্ট্র, বিচার, শিক্ষা, অর্থ ও সংস্কৃতি প্রভৃতিতে ধর্মের ঊর্ধ্বে মনে করা হয় বা এগুলোতে ধর্মের বিধান নেই মনে করা হয়, যা নিঃসন্দেহে কুফর। সুতরাং কোনো মুসলিম সেকুলার তথা সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসী হতে পারে না এবং কোনো সেকুলার মুসলিম থাকতে পারে না।
সেক্যুলারিজম কী ও কেন?
সেক্যুলারিজমের তিনটি বাংলা অনুবাদ হতে পারে। যথা :
১. ইহজাগতিকতাবাদ
২. ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ
৩. ধর্মহীনতা বা ধর্মহীন মতবাদ।
১. ‘ইহজাগতিকতাবাদ’ এটাই সেক্যুলারিজমের সঠিক অনুবাদ। Secularism ল্যাটিন শব্দ Saculum শব্দ থেকে উদ্ভব হয়েছে। Saeculum শব্দের অর্থ ইহজগৎ। এ মতবাদের সমস্ত চিন্তাভাবনা ও কার্যকলাপ ইহজগৎকেন্দ্রিক। সুতরাং Secularism এর সঠিক অনুবাদ হবে ইহজাগতিকতাবাদ।
২. ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’- এটি Secularism এর সঠিক বাংলা অনুবাদ নয়। তবে সমাজে এ অনুবাদ প্রচলিত হয়ে গেছে। ধর্ম ইহজগৎ ও পরজগৎ উভয় জগৎকে স্বীকার করে। কিন্তু সেক্যুলারিজম কেবলমাত্র ইহজগৎ স্বীকার করে আর পরজগতকে অস্বীকার করে।
আর ‘নিরপেক্ষ’ শব্দের অর্থ কোনও পক্ষে নয়। কাজেই ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দের অর্থ কোনো ধর্মের পক্ষে নয়। অর্থাৎ সমস্ত ধর্মের সাথে সম্পর্কহীন। বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে রয়েছে, “ধর্মনিরপেক্ষ: ধর্ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এমন; secular।”
ধর্মনিরপেক্ষ শব্দের মধ্যে 'নির' প্রত্যয় যোগ করা হয়েছে। 'নির' এর অর্থ ‘নেই’ অর্থাৎ ধর্মের পক্ষে নেই। অথবা ধর্মের 'অপেক্ষা' নেই যার। বাংলা একাডেমির অভিধানে ‘অপেক্ষার’ এক অর্থ করা হয়েছে ভরসা/নির্ভরতা অর্থাৎ যার ধর্মের উপর ভরসা বা নির্ভরতা নেই, সেই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি।
সুতরাং যে ব্যক্তি চিন্তা-চেতনায়, ধ্যান-ধারণায়, কার্যকলাপে ও জীবনের সব ক্ষেত্রে ধর্মের পক্ষে অবস্থান করল, সে হলো ধর্মের পক্ষের লোক। আর যে ব্যক্তি এমন হবে না, সে হলো ধর্মনিরপেক্ষ।
৩. ধর্মহীনতা বা ধর্মহীন মতবাদ
যেহেতু এ মতবাদের লোক সব ক্ষেত্রে ধর্মের পক্ষের নয় বা ধর্মের উপর ভরসা নেই কিংবা সমস্ত ধর্মের সাথে সম্পর্কহীন। তাই এ মতবাদ হলো ধর্মহীন মতবাদ।
এজন্যই সেক্যুলারিজমের আরবি ‘আলমানিয়্যাহ’ শব্দের অনুবাদ করা হয় ‘লা-দীনিয়্যাহ’ অর্থাৎ ধর্মহীনতা।
আরবিতে সেক্যুলারিজমের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে,
فصل الدين عن الدولة والحياة.
অর্থাৎ ধর্মকে জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। মূলত এর অর্থ ধর্মপালনের স্বাধীনতা নয়, বরং ধর্মহীনতা।
উইকিপিডিয়াতে সেক্যুলারিজমের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এভাবে,
“ধর্মনিরপেক্ষবাদ বলতে সাধারণত রাষ্ট্র আর ধর্মকে পৃথকরূপে প্রকাশ করাকে বোঝায়। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে ধর্ম বা ধর্মীয় রীতিনীতির বাইরে থেকে পরিচালনা করাকে বোঝানো হয়। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের আইন কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের উপর নির্ভরশীল থাকে না।... ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো, তথ্য এবং প্রমাণের উপর নির্ভর করবে, কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর নয়।”
অর্থাৎ রাষ্ট্র তার সিদ্ধান্ত নিবে যুক্তি, বাস্তবতা ও তথ্য-প্রমাণের উপর ভিত্তি করে। কোনো ধর্মবিশ্বাসের উপর নয়। অর্থাৎ আপনি ব্যক্তিজীবনে ধার্মিক, রাজনৈতিক জীবনে ধর্মহীন। আপনার ধর্ম কেবলই আপনার ব্যক্তিগত বিষয়ে সীমাবদ্ধ। আপনার ধর্মবিশ্বাসে, রাজনীতিতে, অর্থনীতিতে ধর্মের উপস্থিতি না থাকতে হবে।
Oxford Dictionary তে Secularism এর সংজ্ঞা :
Secularism means the doctrine morality should be based solely on regard to the wellbeing of mankind in the present life, to exclusion of all consideration drawn from belief in God or in future life.
সেক্যুলারিজম এমন একটি মতবাদ, যে মতবাদে মানবজাতির ইহজগতের কল্যাণ চিন্তার উপর গড়ে উঠবে এমন এক নৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে থাকবে না কোনো ধরনের আল্লাহ ও পরকাল বিশ্বাসভিত্তিক বিবেচনা।
Encyclopedia বা বিশ্বকোষে Secularism এর নিম্নরূপ দুটো সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে :
• Secular spirit or tendency especially a system of political or social philosophy that reject all form of religious faith.
ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ এমন একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন, যা সকল ধর্মবিশ্বাসকে প্রত্যাখ্যান করে।
• The view that public education and other matters of civil society conducted without the introduction of Religious element.
সেক্যুলারিজম এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে সাধারণ শিক্ষা ও সামাজিক সংস্থা পরিচালনায় কোনো ধরনের ধর্মীয় উপাদান অন্তর্ভুক্ত হবে না।
chambers dictionary -এর মতে,
The belief that the state morals, education should be independent of religion.
“ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হলো এমন এক বিশ্বাস, যাতে রাষ্ট্র, নৈতিক, শিক্ষা ইত্যাদি সবকিছু ধর্মমুক্ত থাকবে।”
ক্যামব্রিজ ডিকশনারিতে এসেছে,
The belief that religion should not be involved with the ordinary social and political activities of a country.
“সেকুলারিজম এমন এক বিশ্বাস, ধর্ম দেশের সাধারণ সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপের সাথে জড়িত হওয়া উচিত নয়।”
এগুলো মুসলমানদের ব্যাখ্যা নয়। বরং যারা সেক্যুলারিজমকে প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তাদের সংবিধানে স্থান দিয়েছে, তাদের কর্তৃক নির্ভরযোগ্য ও যোগ্য ব্যক্তিরাই সেক্যুলারিজমের এই অর্থ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সুতরাং সেক্যুলারিজম যে বাস্তবেই لا دينية (ধর্মহীনতা) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে মতভেদ দেখা যায় না।
অথচ কিছু লোক বলে বেড়ায় যে, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়; বরং ধর্ম পালনের স্বাধীনতা। এটা এই দেশীয় বক্তব্য ও ব্যাখ্যা। আর সেক্যুলারিজম তো এদেশে শুরু হয়নি। আমরা পড়া-শোনা কম করি, তাই ওরা আমাদেরকে ধোঁকা দিতে সক্ষম হয়।
ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ যদিও কোনো কোনো পশ্চিমা দেশে একজন প্রজাকে তার ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দেয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ভা*রত ও মুসলিম বিশ্বের ধর্মনিরপেক্ষতা মুসলিম প্রজাদের ওপর জেল-জুলুম, নির্যাতন-নিপীড়ন ও দমন নীতিতে পরিণত হয়। এখানে বোরকা নিষিদ্ধ হয়ে যায়, দাড়ি রাখতে প্রতিবন্ধকতা আসে।
সব চেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, ইসলাম ধর্মে জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ের জন্য নির্দেশনা বিদ্যমান। অথচ সেক্যুলারিজম একজন মুসলিমকে সমাজ, রাজনীতি, রাষ্ট্র, বিচার, শিক্ষা, অর্থ ও সংস্কৃতি প্রভৃতিতে ধর্ম পালন করতে দেয় না। তাহলে সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ একজন মুসলিমকে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা কীভাবে দিল! কোথায় দিল!!
শুধু নামায পড়তে পারাই আমার ধর্ম-স্বাধীনতা নয়; বরং আমার ধর্ম তো রাজনীতির কথা বলে, অর্থনীতির কথা বলে, তো সেক্ষেত্রে আমার ধর্মে হস্তক্ষেপ করা হয় কেন?
আমাকে কেন গণ*তন্ত্রের রাজনীতি করতে হয়?
কেন পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা মেনে নিতে হয়?
বস্তুত সেক্যুলারিজম ধর্ম থেকে সরিয়ে ফেলার এবং ধর্মহীন কর্মে গড়ে তোলার পাঁয়তারা ছাড়া কিছু নয়।
সেক্যুলারিজম কেন?
সেক্যুলারিজমের উৎপত্তির মূল কারণ দুইটি:
১. দ্বন্দ্ব নিরসন:
সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতাটা বেশি দিন আগের পরিভাষা নয়। ফরাসী বিপ্লবের পরের। বিপ্লবটা ১৮০০ এর কাছাকাছি সময়ের। ইউরোপে গির্জার পাদ্রীদের মনগড়া মতামতের সাথে যখন বৈজ্ঞানিকদের সাথে দ্বন্দ্ব দেখা দিল এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে পাদ্রীদের প্রভাব থাকার কারণে বৈজ্ঞানিকদের উপর অনেক বছরব্যাপী গির্জায়ী নির্যাতন ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম পরিচালিত হলো, তখন এ প্রস্তাব গৃহীত হলো যে, ধর্ম গির্জা ও মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে সীমাবদ্ধ থাকুক আর সমাজ ও পার্থিব জীবনের সর্বক্ষেত্রে নেতৃত্ব রাষ্ট্রের ওপর ন্যাস্ত থাকুক।
তাদের বাই*বেলে উল্লেখ করা হয়েছে,
Give to the emperor the things that are the emperor's, and to God the things that are God's.
‘যা সম্রাটের তা সম্রাটকে দাও, আর যা ঈশ্বরের তা ঈশ্বরকে দাও। (বাইবেল- নতুন নিয়ম; মথি লিখিত সুসমাচার ২২: ২১।)
এখান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা মতবাদের যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে পাদ্রীদের প্রভাব শেষ হয়ে যায় ৷ ফলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবন ধর্ম থেকে মুক্ত হয়ে পড়ে।
কাজেই সেক্যুলারিজম মতবাদটি মূলত গির্জায়ী নির্যাতনের প্রতিরোধে পাদ্রী ও বৈজ্ঞানিকদের মাঝে সংকট ও দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের দ্বন্দ্ব নিরসনে পশ্চিমা বিশ্বে উৎপত্তি লাভ করেছে। ফলে তারা ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে দ্বন্দ্ব নিরসন করেছে।
কিন্তু মুসলমানদের মাঝে এমন কোনো সংকট দেখা দেয়নি। ফলে ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রশ্নই আসে না।
২. তাদের ধর্ম তথা খৃষ্টবাদ অপূর্ণাঙ্গ, পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা নয়। ফলে রাষ্ট্র পরিচালনা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অন্যান্য তন্ত্রমন্ত্রের সহায়তা নিতে হয়। আর এতে তাদের ধর্মের স্বকীয়তা, নিজস্ব রীতিনীতি হারানোর কিছু নেই।
কিন্তু ইসলাম পূর্ণাঙ্গ, পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। তাই ইসলাম যদি সেক্যুলারিজমকে মেনে নেয়, তাহলে সমাজ ও রাষ্ট্র সহ জীবনের অসংখ্য ক্ষেত্রে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধানাবলি, ধর্মের স্বকীয়তা ও নিজস্ব রীতিনীতি হারাতে হয়। এবং তদস্থলে অন্য তন্ত্রমন্ত্রকে বিধানদাতা হিসেবে মেনে নিয়ে আল্লাহর সাথে শিরক করতে হয়।
মুফতী তাকী ওসমানী হাফিজাহুল্লাহ বলেন,
قد اشتهر عن النصارى أنهم يفرقون بين الدين والسياسة بقولهم المعروف: "دع ما لِقَيْصَر لقيصر، وما لله لله"، فكأن الدين لا علاقة له بالسياسة، والسياسة لا ربط لها بالدين، وإن هذه النظرية الباطلة قد تدرجت إلى أبشع صورها في العصور الأخيرة باسم "العلمانية" أو "سيكولرإزم" التي أخرجت الدين من سائر شؤون الحياة حتى قضت عليه بتاتا.
وإن هذه النظرية في الحقيقة نوع من أنواع الإشراك بالله، من حيث أنها لا تعترف للدين بسلطة في الحياة المادية، وإنما تقصر سلطة الدين على رسوم وعبادات يمارسها المرء في خلوته أو في معبده، فكأن الإله ليس إلها إلا في العبادات والرسوم، وأما الأمور الدنيوية فلها إله آخر، والعياذ بالله.
এ কথা প্রসিদ্ধ যে, খ্রিষ্টানরা ধর্ম ও রাজনীতির মধ্যে পার্থক্য করে থাকে। এ বিষয়ে তাদের প্রসিদ্ধ বাক্য হচ্ছে, "রাষ্ট্রনায়কদের প্রাপ্য তাদেরকে দাও, আর আল্লাহর প্রাপ্য তাঁকে দাও।"
(অর্থাৎ রাষ্ট্র পরিচালিত হবে রাষ্ট্রনায়কদের ইচ্ছা মতে। এছাড়া অন্য ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান তথা ধর্ম চলবে।) যার সারকথা হচ্ছে, ধর্মের সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই এবং রাজনীতির সাথে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। এই বাতিল মতবাদ সেক্যুলারিজমের নামে এত মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যে, জীবনের সকল অঙ্গন ও ক্ষেত্রকে ধর্মহীন করে দিয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে এই মতবাদ মূলত আল্লাহ তাআলার সঙ্গে শিরকের একটি প্রকার। কেননা এটি বস্তুবাদী জীবনে দ্বীনের কর্তৃত্বকে স্বীকার করে না। বরং দ্বীনের কর্তৃত্বকে কতক রসম ও ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ মনে করে, যা মানুষ একাকীত্বে বা ইবাদতখানায় চর্চা করে। কেমন জানি 'ইলাহ' তিনি শুধুমাত্র ইবাদত ও রসমসমূহের ক্ষেত্রে 'ইলাহ', আর জাগতিক বিষয়ের জন্য আরেকজন 'ইলাহ' রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ। তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম ৯/২২৪।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।