বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ
দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়াতে ‘সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব
- আপলোড সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০২:৫৫:২২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০২:৫৫:২২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ‘সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মালদ্বীপের পার্লামেন্টের স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহ। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মালদ্বীপের পার্লামেন্ট পিপলস মজলিসে স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ প্রস্তাব দেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম।
সাক্ষাতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পাশাপাশি সংসদীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এ সময় সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক সফর, নিয়মিত সংলাপ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক শুধু সরকার পর্যায়ের যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও নিয়মিত যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠিত হলে আইন প্রণয়ন, সংসদ পরিচালনা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার বিষয়ে দুই দেশের সংসদ সদস্যরা অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
এ উদ্যোগ অর্থনীতি, শিক্ষা, জনকল্যাণ, শ্রম অভিবাসন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকে মালদ্বীপের অর্থনীতি ও উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশটির উন্নয়নে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ায় মালদ্বীপ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হাইকমিশনার।
মালদ্বীপের স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহ দেশটির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আগ্রহ জানান।
সাক্ষাৎ শেষে দুই পক্ষ আশা প্রকাশ করে, প্রস্তাবিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের সংসদীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়বে এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে। এ সময় তাঁরা নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকারী উপহার বিনিময় করেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।