মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর
অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, আগাম পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়; পাসপোর্ট ও টাকা জমা দেওয়ার আগে সতর্ক থাকার নির্দেশ
- আপলোড সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০৩:১৬:৪২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০৩:১৬:৪২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে শুধু প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষা করাতে হবে। নির্ধারিত তারিখের আগে করা কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তা দিয়ে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। কর্মীদের তালিকাটি দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। কিছু দালাল ও অসাধু এজেন্সি অনুমতি ছাড়াই মেডিকেল পরীক্ষার কথা বলে কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে।
এ কারণে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার নিশ্চিত না হয়ে কাউকে পাসপোর্ট বা টাকা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টারগুলোকে অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ভিডিআর ভিসাসংক্রান্ত নথি জমা দিতে হবে।
নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাতিলসহ প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
কোনো অননুমোদিত মেডিকেল পরীক্ষা বা এ ধরনের অনিয়মের তথ্য জানা থাকলে ঘটনার তারিখ, স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রমাণসহ মন্ত্রণালয়কে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এ জন্য [email protected] ইমেইল ঠিকানায় অভিযোগ পাঠানো যাবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশগামী কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিকেল সেন্টারগুলোকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।