সহিংসতায় কিছু শিল্পমালিকের জড়িত থাকার অডিও-ভিডিও প্রমাণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শ্রমিকদের ব্যবহার করে সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ; প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন মন্ত্রী।
- আপলোড সময় : ০২-১১-২০২৬ ০৩:২৮:৫২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০২-১১-২০২৬ ০৩:২৮:৫২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিতে কিছু শিল্পমালিকের জড়িত থাকার অডিও-ভিডিও প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে সড়ক-মহাসড়কে অগ্নিসংযোগ ও অবরোধের মাধ্যমে অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের চলমান সংকট নিরসনে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত কয়েক দিন ধরে পতিত স্বৈরাচারের পৃষ্ঠপোষকদের সমর্থিত কিছু পক্ষ শ্রমিকদের ব্যবহার করে সড়ক-মহাসড়কে আগুন জ্বালানো ও অবরোধ সৃষ্টির মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। তবে প্রকৃত শ্রমিক ও তাঁদের সংগঠনের নেতারা কর্মসংস্থান ধ্বংস কিংবা শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীলতা চান না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, সহিংসতা ও ষড়যন্ত্রে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত কয়েকজন ইন্ধনদাতা ও কিছু শিল্পমালিককে ইতোমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অডিও-ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, কোনো শিল্পকারখানা যেন বন্ধ না থাকে এবং কোনো শ্রমিক যেন কর্মহীন হয়ে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। পোশাকশিল্পের চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মালিক ও শ্রমিক—উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সোমবার সকালে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বিকেলে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তাঁদের মতামত ও প্রস্তাব পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।