হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত পেল বাংলাদেশ
৩৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা বলে সৌদি আরবে আটকে রাখা অর্থ ফেরত আনার কথা জানালেন ধর্মমন্ত্রী
- আপলোড সময় : ০১-১১-২০২৬ ০৩:২৫:০২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-১১-২০২৬ ০৩:২৫:০২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে আটকে রাখা প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। সৌদি কর্তৃপক্ষের কেটে রাখা ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ রিয়াল ফেরত আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
রোববার (১ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কারণ দেখিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে রেখেছিল। হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষায় সরকারের উদ্যোগে সেই অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। ফেরত পাওয়া অর্থের পরিমাণ ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
তিনি জানান, আটকে রাখা অর্থের মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়া ৩১০ জনের বিপরীতে ছিল ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫১ রিয়াল। অন্যদিকে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে কেটে রাখা হয়েছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯২ রিয়াল।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি জানার পর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ হজ অফিস অর্থ ফেরত আনার কার্যক্রম শুরু করে। এ জন্য সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই, কাগজপত্র উপস্থাপন এবং আলোচনার মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, আগের হজ মৌসুমগুলোতে এ ধরনের অর্থ কর্তনের কোনো নজির ছিল না। তাই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ তথ্য ও যুক্তি দিয়ে তুলে ধরা হয়।
ধর্মমন্ত্রী এই অর্থ ফেরত পাওয়াকে হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।