ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুরই থাকবে’ সিরিয়া সফরে ম্যাক্রোর হোটেলের পাশে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ, অক্ষত ফরাসি প্রেসিডেন্ট পুশইনের আশঙ্কা: সীমান্তে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কড়া টহল বারুইপুর হত্যাকাণ্ড: জীবিত অবস্থাতেই বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়েছিল মুসলিম কিশোরীকে, ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ২৪ ঘণ্টায় ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরী ডুবে গেছে, পাহাড়ধসের সতর্কতা পটিয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৪ লাখ টাকার মাছের পোনা নিধন, তদন্তে মৎস্য বিভাগ ওমান উপকূলে রহস্যময় হামলায় তেলবাহী জাহাজে আগুন তিন বিভাগে বন্যার শঙ্কা, বাড়ছে নদ-নদীর পানি পারমাণবিক সক্ষম নৌবাহিনী গড়ার পথে কিম, যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৩৩৪২ ১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ ও ৫ আগস্ট ‘গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের মিরপুরে ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের পর পানির হাউসে ফেলে রাখার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৫০ বছর বয়সী আনোয়ার খামেনির প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মনে রাখবে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বানচালের চেষ্টা করছে: এরদোয়ান ৯ কোটি টাকার সড়ক ধস: পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা পেল শ্রীলঙ্কা কাগজে-কলমে 'মৃত' হয়ে দশ বছর ভোটাধিকার হারিয়ে ঘুরছেন ফরিদপুরের বাদশা, অবশেষে সংশোধন খামেনির শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তেহরানে জনসমুদ্র ধেয়ে আসছে তীব্র ‘এল নিনো’, জুলাই-সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার সতর্কতা

আরাফার রোজা কেন ৯ জিলহজ্ব?

  • আপলোড সময় : ২৪-০৫-২০২৬ ০৮:০৫:৪১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৫-২০২৬ ০৮:০৮:১৩ অপরাহ্ন
আরাফার রোজা কেন ৯ জিলহজ্ব? প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

আরাফার রোজা কবে সেটা নিয়ে মতানৈক্য আছে। আমি কেন ৯ জিলহজ্বকে অগ্রগণ্য মনে করি তার ৪টা কারণ তুলে ধরছি।

১. সর্বসম্মতিক্রমে তাকবীরে তাশরীক পড়তে হয় মোট ৫ দিন। যা শুরু হয় আরাফার দিন ফজর থেকে, শেষ হয় কুরবানির ঈদের ৩য় দিন আসরের সময়ে। আলী রা. সহীহ সনদে এসেছে, তিনি আরাফার দিন ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্বের আসর পর্যন্ত তাকবীরে তাশরিক পড়তেন। (মুসান্নাফে ইবনু আবি শাইবা)

যদি আরাফার দিন মানে ধরা হয় যেদিন সৌদিতে হাজিরা আরাফার ময়দানে সমবেত হন, তাহলে যেসব দেশে সময়ের ব্যবধানের কারণে তারিখ ১দিন পিছিয়ে থাকে, তাদের তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে ৬ দিন। অর্থাৎ ৮ জিলহজ্ব থেকে ১৩ জিলহজ্ব। এটি সর্বসম্মতিক্রমে পরিত্যাজ্য।

২. আরাফার দিনের পরের দিনই হলো ঈদের দিন। মাঝে অন্য কোন দিনের ব্যবধান নেই। এটাই সালাফের যুগ থেকে চলে আসা সর্বসম্মত বিষয়। যদি আরাফার দিন মানে ধরা হয় যেদিন সৌদিতে হাজিরা আরাফার ময়দানে সমবেত হন, তাহলে যেসব দেশে সময়ের ব্যবধানের কারণে তারিখ ১দিন পিছিয়ে থাকে, তাদের আরাফার দিন ও ঈদের দিনের মাঝে বাড়তি একটা দিন থাকে। এটার কথা কোথাও নেই।

৩. আরাফার রোজা মানে যদি এটাই হয় যে, আরাফাতে হাজিরা সমবেত হওয়া শর্ত, (সেহিসেবে দূরবর্তী দেশগুলোতে যখন ৯ জিলহজ্ব আসে, তখন হাজিরা আর আরাফাতের ময়দানে থাকে না) তাহলে ইতিহাসে একাধিকবার এমন হয়েছে যে, দুর্যোগের কারণে হজ্বই হয়নি। সেই বছরগুলোতে যেহেতু হাজিরা আরাফাতে সমবেত হয়নি, তাই আরাফার দিনের ফজিলত কি নাই হয়ে গেছিল? মোটেও না। বরং হজ না হবার কারণে আরাফার ময়দানে কেউ হাজির না হলেও এই দিনের ফজিলত থাকবে। এর দ্বারাও বুঝে আসে, হাজিদের ময়দানে হাজির থাকা জরুরি কোন বিষয় নয়।

৪. সালাফের যুগ থেকে আরাফার দিন হিসাবে ৯ জিলহজ্বকেই ধরে আসা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা দূর-দূরান্তের খবর নিমিষেই জানার মাধ্যম আবিষ্কার হবার আগে ৯ জিলহজ্বেই আরাফার রোজা রাখা হতো। দূরবর্তী দেশগুলোতে আরাফার রোজা ৯ তারিখ রাখা হবে নাকি সৌদির সাথে মিলিয়ে ৮ তারিখ রাখা হবে এই বিতর্ক শুরু হয়েছে আধুনিক যামানাতে এসে। যদি আমরা ধরে নেই, ৮ তারিখ হলো আরাফার দিন, তাহলে সালাফের যুগ থেকে চলে আসা শতাব্দির পর শতাব্দি সৌদি থেকে দূরবর্তী অঞ্চলের উম্মাহর আমল ভুল হওয়া অত্যাবশ্যক হয়। যা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সর্বশেষ একটা প্রশ্ন থেকে যায়। তা হলো, আরাফার দিন দ্বারা যদি ৯ জিলহজ্ব উদ্দেশ্য হয় তাহলে এটাকে আরাফার দিন না বলে সরাসরি ৯ জিলহজ্ব বললেই তো হতো। এর উত্তর হলো, জিলহজ্ব মাসের ৮/৯/১০/১১/১২/১৩ এই দিনগুলোতে বিশেষভাবে হাজিদের কর্যাবলীর দিকে লক্ষ্য রেখে দিনগুলোর নাম রাখা হয়েছে। যথাঃ

৮ জিলহজ্ব হলো ইয়াওমুত তারবিয়া বা তারবিয়ার দিন

৯ জিলহজ্ব ইয়াওমুল আরাফা বা আরাফার দিন

১০ জিলহজ্ব ইয়াওমুন নহর বা কুরবানির দিন

১১/১২/১৩ হলো আইয়ামুত তাশরীক বা তাশরীকের দিন

তো সৌদির ইয়াওমুন নাহর বা কুরবানির দিনসহ অন্য দিনগুলো যেমন আমাদের একদিন আগে, সেমভাবে সৌদির ইয়াওমু আরাফা আমাদের একদিন আগে হবে এটাই সাধারণ হিসাব।

৮/১০/১১/১২/১৩ দিনগুলোতে যেভাবে বুঝা হয়, ৯ তারিখকেও সেভাবে বিবেচনা করলে আর কোন প্রশ্ন থাকে না।

বিঃদ্রঃ ৯ জিলহজ্ব হিসেবে বাংলাদেশে আরাফার রোজা হবে রবিবার। তবে যেহেতু জিলহজের শুরুর দশক পুরোটাই ইবাদাতের তাই কেউ চাইলে শনিবার/রবিবার দুই দিনই রেখে দিতে পারেন। ইখতিলাফ থেকেও বাঁচা গেল, রোজাও বেশি রাখা হলো।

সংগৃহীত - হানফি ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে, আব্দুল্লাহ আল মাসউদ


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তিস্তা মহাপরিকল্পনা: ১১০ কিমি নদীশাসন ও ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব, সংসদে জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনা: ১১০ কিমি নদীশাসন ও ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব, সংসদে জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী