ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা ৭০ ঘণ্টা পর পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ, স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি অনার্স থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বাদ দেওয়ার খবরটি ‘গুজব’, নিশ্চিত করল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি ফেরত পাঠানোর দাবি শুভেন্দু অধিকারীর, প্রত্যাখ্যান করল বিজিবি সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় করার হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত, ১৬ জুন শুনানি রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি জনশক্তি ১ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব, দ্রুত বাস্তবায়নে সম্মত মস্কো ইসরাইলপন্থী প্রচারণায় এআই ব্যবহারের কৌশল দিলেন ইসরাইলি গবেষক, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ '৫ আগস্টের ট্রমা' কাটেনি, মনোবল ভাঙা পুলিশের সামনে বেপরোয়া অপরাধীরা ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত প্রায় ১০ হাজার পরিবার রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৪ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসদের মূল বেতন বৃদ্ধি, নির্ধারণ হলো ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা পুতিন-জেলেনস্কি সংলাপ: ইউক্রেনের পাশে ইউরোপের তিন দেশ লালমনিরহাটে রাতের আঁধারে ৭০-৮০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ ইরানে বিস্ফোরণ ও ইসরাইলের হামলায় তেলের দাম ব্যারেলে বাড়লো ৩ ডলারের বেশি ৫ কার্যদিবসে ঐতিহাসিক রায়: শিশু রামিসা হত্যায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড সুদানের বাজারে ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিহত অন্তত ১১ পুশইন ঠেকাতে সিলেট সীমান্তে বিজিবির ‘হাই অ্যালার্ট’, রাতে জনপদে মাইকিং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের ৩ ট্যাংকার লাইনচ্যুত: খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

আরাফার রোজা কেন ৯ জিলহজ্ব?

  • আপলোড সময় : ২৪-০৫-২০২৬ ০৮:০৫:৪১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৫-২০২৬ ০৮:০৮:১৩ অপরাহ্ন
আরাফার রোজা কেন ৯ জিলহজ্ব? প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

আরাফার রোজা কবে সেটা নিয়ে মতানৈক্য আছে। আমি কেন ৯ জিলহজ্বকে অগ্রগণ্য মনে করি তার ৪টা কারণ তুলে ধরছি।

১. সর্বসম্মতিক্রমে তাকবীরে তাশরীক পড়তে হয় মোট ৫ দিন। যা শুরু হয় আরাফার দিন ফজর থেকে, শেষ হয় কুরবানির ঈদের ৩য় দিন আসরের সময়ে। আলী রা. সহীহ সনদে এসেছে, তিনি আরাফার দিন ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্বের আসর পর্যন্ত তাকবীরে তাশরিক পড়তেন। (মুসান্নাফে ইবনু আবি শাইবা)

যদি আরাফার দিন মানে ধরা হয় যেদিন সৌদিতে হাজিরা আরাফার ময়দানে সমবেত হন, তাহলে যেসব দেশে সময়ের ব্যবধানের কারণে তারিখ ১দিন পিছিয়ে থাকে, তাদের তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে ৬ দিন। অর্থাৎ ৮ জিলহজ্ব থেকে ১৩ জিলহজ্ব। এটি সর্বসম্মতিক্রমে পরিত্যাজ্য।

২. আরাফার দিনের পরের দিনই হলো ঈদের দিন। মাঝে অন্য কোন দিনের ব্যবধান নেই। এটাই সালাফের যুগ থেকে চলে আসা সর্বসম্মত বিষয়। যদি আরাফার দিন মানে ধরা হয় যেদিন সৌদিতে হাজিরা আরাফার ময়দানে সমবেত হন, তাহলে যেসব দেশে সময়ের ব্যবধানের কারণে তারিখ ১দিন পিছিয়ে থাকে, তাদের আরাফার দিন ও ঈদের দিনের মাঝে বাড়তি একটা দিন থাকে। এটার কথা কোথাও নেই।

৩. আরাফার রোজা মানে যদি এটাই হয় যে, আরাফাতে হাজিরা সমবেত হওয়া শর্ত, (সেহিসেবে দূরবর্তী দেশগুলোতে যখন ৯ জিলহজ্ব আসে, তখন হাজিরা আর আরাফাতের ময়দানে থাকে না) তাহলে ইতিহাসে একাধিকবার এমন হয়েছে যে, দুর্যোগের কারণে হজ্বই হয়নি। সেই বছরগুলোতে যেহেতু হাজিরা আরাফাতে সমবেত হয়নি, তাই আরাফার দিনের ফজিলত কি নাই হয়ে গেছিল? মোটেও না। বরং হজ না হবার কারণে আরাফার ময়দানে কেউ হাজির না হলেও এই দিনের ফজিলত থাকবে। এর দ্বারাও বুঝে আসে, হাজিদের ময়দানে হাজির থাকা জরুরি কোন বিষয় নয়।

৪. সালাফের যুগ থেকে আরাফার দিন হিসাবে ৯ জিলহজ্বকেই ধরে আসা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা দূর-দূরান্তের খবর নিমিষেই জানার মাধ্যম আবিষ্কার হবার আগে ৯ জিলহজ্বেই আরাফার রোজা রাখা হতো। দূরবর্তী দেশগুলোতে আরাফার রোজা ৯ তারিখ রাখা হবে নাকি সৌদির সাথে মিলিয়ে ৮ তারিখ রাখা হবে এই বিতর্ক শুরু হয়েছে আধুনিক যামানাতে এসে। যদি আমরা ধরে নেই, ৮ তারিখ হলো আরাফার দিন, তাহলে সালাফের যুগ থেকে চলে আসা শতাব্দির পর শতাব্দি সৌদি থেকে দূরবর্তী অঞ্চলের উম্মাহর আমল ভুল হওয়া অত্যাবশ্যক হয়। যা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সর্বশেষ একটা প্রশ্ন থেকে যায়। তা হলো, আরাফার দিন দ্বারা যদি ৯ জিলহজ্ব উদ্দেশ্য হয় তাহলে এটাকে আরাফার দিন না বলে সরাসরি ৯ জিলহজ্ব বললেই তো হতো। এর উত্তর হলো, জিলহজ্ব মাসের ৮/৯/১০/১১/১২/১৩ এই দিনগুলোতে বিশেষভাবে হাজিদের কর্যাবলীর দিকে লক্ষ্য রেখে দিনগুলোর নাম রাখা হয়েছে। যথাঃ

৮ জিলহজ্ব হলো ইয়াওমুত তারবিয়া বা তারবিয়ার দিন

৯ জিলহজ্ব ইয়াওমুল আরাফা বা আরাফার দিন

১০ জিলহজ্ব ইয়াওমুন নহর বা কুরবানির দিন

১১/১২/১৩ হলো আইয়ামুত তাশরীক বা তাশরীকের দিন

তো সৌদির ইয়াওমুন নাহর বা কুরবানির দিনসহ অন্য দিনগুলো যেমন আমাদের একদিন আগে, সেমভাবে সৌদির ইয়াওমু আরাফা আমাদের একদিন আগে হবে এটাই সাধারণ হিসাব।

৮/১০/১১/১২/১৩ দিনগুলোতে যেভাবে বুঝা হয়, ৯ তারিখকেও সেভাবে বিবেচনা করলে আর কোন প্রশ্ন থাকে না।

বিঃদ্রঃ ৯ জিলহজ্ব হিসেবে বাংলাদেশে আরাফার রোজা হবে রবিবার। তবে যেহেতু জিলহজের শুরুর দশক পুরোটাই ইবাদাতের তাই কেউ চাইলে শনিবার/রবিবার দুই দিনই রেখে দিতে পারেন। ইখতিলাফ থেকেও বাঁচা গেল, রোজাও বেশি রাখা হলো।

সংগৃহীত - হানফি ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে, আব্দুল্লাহ আল মাসউদ


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘ইসলামী ব্যাংক বা জামায়াত ইসলাম নয়’—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ

‘ইসলামী ব্যাংক বা জামায়াত ইসলাম নয়’—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ