ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ , ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে আছেন জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর শীর্ষ কমান্ডার নিহত: ইসরায়েল ভূমধ্যসাগরে ৯ দিন ভাসল নৌকা: অনাহারে ১১ বাংলাদেশির মৃত্যু বিএনপি সরকারের ৬ মাস: অর্থনৈতিক অবস্থা চাপে সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ মতবিনিময় সভা ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া জবাব ইরানের সেনাপ্রধানের চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই জাহাজের ধাক্কা: বড় ধরনের ক্ষতি নেই জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৪৪৩ মিলিয়ন ঘনফুটে ট্রাম্প প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দিয়েছেন, দাবি গালিবাফের অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়, জানাল বাংলাদেশ রাঙামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪, আহত ২ কিডনি ও লিভারের জটিল রোগে নিঃস্ব লাখো পরিবার,বাড়ছে অসহায়ত্ব প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ, জ্বালানি সংকটে যা বললেন হাসনাত এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শেষ কাল ঢাকা-দিল্লী মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন: প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর কিশোরগঞ্জে ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ উপাসনালয়ের সেবকদের সম্মানী দেবেন সরকার মিশিগানে ৫ জনকে গুলি করে হত্যা, সন্দেহভাজনের মরদেহ মিলল বনে বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: জ্বালানিমন্ত্রী জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করল সামিট এলএনজি টার্মিনাল, কাটছে সংকট ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সব ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রী

ধেয়ে আসছে তীব্র ‘এল নিনো’, জুলাই-সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার সতর্কতা

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১০:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১০:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪২ বার পঠিত
ধেয়ে আসছে তীব্র ‘এল নিনো’, জুলাই-সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী রূপ নেবে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রান্তীয় অঞ্চলে এরই মধ্যে এল নিনোর প্রভাব শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক মাসে এটি আরও শক্তিশালী হবে। তাই সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় দেশগুলোকে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যার ফলে মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বৃষ্টিপাতের ধরন এবং বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর এই ঘটনা ঘটে এবং এর স্থায়িত্ব থাকে প্রায় ৯ থেকে ১২ মাস।

ডব্লিউএমওর সর্বশেষ মৌসুমি জলবায়ু পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছাবে। সংস্থাটি এল নিনোকে চারটি মাত্রায় ভাগ করে- দুর্বল, মাঝারি, শক্তিশালী ও অত্যন্ত শক্তিশালী। এবারের এল নিনো তৃতীয় স্তর অর্থাৎ ‘শক্তিশালী’ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো বলেন, এল নিনো আরও শক্তিশালী হলে বিশ্বের অনেক অঞ্চলে খরা, ভারী বৃষ্টিপাত, স্থলভাগ ও সমুদ্রে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা বাড়বে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জলবায়ু কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি বাড়তে পারে। বিভিন্ন মডেলের পূর্বাভাসে উল্লেখযোগ্য মিল থাকায় এই পূর্বাভাসের বিষয়ে বিজ্ঞানীদের আস্থা অনেক বেশি।

ডব্লিউএমওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক উষ্ণতার অন্যতম কারণ ছিল এল নিনো, আর ২০২৪ সাল ছিল রেকর্ড করা ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর। যদিও এল নিনোর সর্বোচ্চ প্রভাব সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেখা যায়, তবে এর কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব আরও কিছু সময় ধরে স্থায়ী হতে পারে।

ডব্লিউএমও আরও জানিয়েছে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় কৃষি, স্বাস্থ্যসহ জলবায়ু-সংবেদনশীল খাতে আগাম সতর্কতা ও মৌসুমি পূর্বাভাস জোরদার করা হচ্ছে।

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়কালে বিশ্বের অধিকাংশ জনবসতিপূর্ণ এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হলেও ভারতীয় উপমহাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডব্লিউএমও বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনোর সংখ্যা বা তীব্রতা বাড়ছে— এমন প্রমাণ নেই। তবে উষ্ণতর সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডল চরম আবহাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও আর্দ্রতা বৃদ্ধি করায় এল নিনোর প্রভাব আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। সূত্র: এএফপি

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।