তবে জাহাজ দুটিতে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
তিনি রোববার দুপুরে বলেন, “শনিবার রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে আলফা অ্যাঙ্করেজে প্রবল স্রোতের কারণে বাল্ক ক্যারিয়ার এমভি আনাসসা নোঙর করে রাখা অন্য জাহাজ এমভি জাহাব জাহানের সামনের অংশে স্পর্শ করে।
“তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। জাহাজে পানি প্রবেশ করেনি। পরিবেশ দূষণের কোনো ঘটনাও ঘটেনি।”
ঘটনার পরপরই জাহাজ দুটিকে আলাদা স্থানে নোঙর করা হয় বলে জানান তিনি।
বর্তমানে নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
জাহাজ দুটিতে মোট ২১ জন ক্রু ছিলেন। তারা সবাই নিরাপদে আছেন।
এর আগে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় বন্দরের জলসীমায় ৩৩ হাজার টন ডিজেলবাহী ট্যাংকার ‘এমটি সি স্পাইক’ এর সঙ্গে নোঙ্গর করে রাখা জাহাজ (বাল্ক ক্যারিয়ার) এমভি সানশাইনের সংঘর্ষ হয়।
এতে তেলবাহী ট্যাংকার এমটি সি স্পাইকের ইঞ্জিন রুমে ফাটল দেখা দিলেও কার্গো ট্যাংকে কোনো পানি প্রবেশ করেনি এবং কোনো প্রকার তেল নিঃসরণের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
তেলবাহী ট্যাংকার এমটি সি স্পাইককে ঘটনাস্থলে রেখেই মেরামত কাজ চলছে।
অন্যদিকে ৩ অগাস্ট দুপুর সোয়া ২টার দিকে বন্দরে ঢোকার সময় অদূরে কর্ণফুলী মোহনার কাছে আটকা পড়েছিল মাল্টার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সিএনসি ইউরেনাস।
বন্দরের কর্মকর্তারা সেদিন জানিয়েছিলেন, ১৭০ মিটার দীর্ঘ কনটেইনার জাহাজটিতে ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’ দেখা গিয়েছিল। ‘স্টিয়ারিং বিকল হওয়ায়’ সেটি ২ নম্বর বয়ার সঙ্গে ধাক্কা খায়। এরপর জাহাজটি কর্ণফুলীর মোহনা সংলগ্ন প্রতিরক্ষা দেয়ালে আটকে যায়।
চট্টগ্রাম বন্দরে ঢোকার সময় স্টিয়ারিং গিয়ারে ত্রুটি থাকার কথা গোপন করার অভিযোগে ১১ অগাস্ট ‘এমভি সিএনসি ইউরেনাস’ এর মাস্টার ও শিপিং এজেন্টকে এক কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।