এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির ভোটারদের উদ্দেশে খোলা চিঠি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। চিঠিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে পরিবর্তন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধ ও হামলা অব্যাহত থাকলেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহনের পরিমাণ যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থার কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।
বাণিজ্যিক তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহনের এই বৃদ্ধি যুদ্ধের মধ্যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এ পথে হামলা অব্যাহত থাকায় তেল পরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।
ট্রাম্পের যুদ্ধ শেষ হওয়ার দাবি, আইআরজিসির রাজনৈতিক আহ্বান এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহনের পরিমাণ বৃদ্ধি-সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধ ঘিরে সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।