ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়: 'অল-ইনক্লুসিভ প্যাকেজ' চালুর ঘোষণা মিরপুরের ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনেভা ক্যাম্পের পিচ্চি রাজা: সোর্স থেকে মাদক কারবারের শীর্ষে এআই অসৎ লোকের হাতে পড়লে ১০০ কোটি মানুষের প্রাণ যেতে পারে: বিল গেটস জানুয়ারির অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধন বিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাকৃবির ১০ তলা হলে লিফট নেই, না খেয়েই দিন কাটছে ছাত্রীদের র‌্যাবের পর এসআরবি, বদলেছে নাম ও আইনি কাঠামো তারেক রহমান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক জাতিসংঘে শান্তিপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থা গড়ার আহ্বান তারেক রহমানের সুপার এল নিনো কি, কিভাবে এটা আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে? গাজায় ট্রাম্পের শান্তি দাবি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘লজ্জাজনক’ বললেন ম্যাক্রো তেল ও গ্যাস সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করতে রাজি আছে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দম্পতি থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসের ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়ল আল-আকসার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইসরাইল:শায়খ ইকরিমা সাবরি অপ্রতিম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন: আইফোন ছিনতাই ও পাঁচ হাজার টাকা অব্যবহৃত ২৪টি ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার নয়াদিল্লির একাধিক স্কুলে ইমেইলে বোমা হামলার হুমকি: তল্লাশি অভিযান শুরু

দুই দশক পর ইরাক থেকে চূড়ান্তভাবে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

ইরাকে থাকা সব সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে ওয়াশিংটন; বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এতে দেশটিতে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং আইএস ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ৩০-০৯-২০২৬ ১০:৩১:০৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৯-২০২৬ ১০:৩১:০৯ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ২৯ বার পঠিত
দুই দশক পর ইরাক থেকে চূড়ান্তভাবে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের ছবি: সংগৃহীত
ইরাকে থাকা সব সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নিয়ে দীর্ঘ দুই দশকের উপস্থিতি শেষে চূড়ান্তভাবে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এই সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হয়।
 
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন সেনা চলে যাওয়ায় দেশটিতে চরম নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি উগ্রপন্থী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) আবারও সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
 
তেহরান ও তাদের আঞ্চলিক মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের এই দীর্ঘ সামরিক উপস্থিতির সমাপ্তিকে নিজেদের বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছে। ২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে এই সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হলেও, ইরানের সঙ্গে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করল। ইরাকে বিভিন্ন প্রক্সি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইরানের আগে থেকেই ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।
 
২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে তৎকালীন পরাক্রমশালী প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং শিয়া নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বিদ্রোহ দমন অভিযান চলে—প্রথমে সাদ্দাম-সমর্থক ও পরে আল-কায়েদার বিরুদ্ধে। কিন্তু একপর্যায়ে দেশটিতে ব্যাপক রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যা উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আইএসের উত্থানের পথ তৈরি করে দেয়।
 
২০১১ সালের শেষ দিকে প্রথম দফায় ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছিল ওয়াশিংটন। তবে আইএসের তাণ্ডবে তিন বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ২০১৪ সালে পুনরায় দেশটিতে ফিরে আসে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আইএসের বিরুদ্ধে বড় ধরনের যুদ্ধে তারা ইরাকি বাহিনীকে সরাসরি সহায়তা করে। তবে এই দীর্ঘ সময়ে আমেরিকাও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই যুদ্ধে আফগানিস্তান যুদ্ধের চেয়েও প্রায় দ্বিগুণ মার্কিন নাগরিক মারা যান। সব মিলিয়ে ইরাক যুদ্ধ ও অভিযানে অন্তত ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
 
সাধারণ ইরাকিদের মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জনপ্রিয় হলেও দেশটির সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়ে গেছে। মার্কিন প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা পাওয়া স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ গত দুই দশকের ইতিহাস স্পষ্ট শিক্ষা দিয়েছে যে—যেকোনো আকস্মিক নিরাপত্তা শূন্যতা চরম বিপজ্জনক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
 
চলতি বছরে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনাকর সংঘাতের সময় যে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে সাতজনই প্রাণ হারিয়েছেন ইরাকে। যার মধ্যে সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে গত জুলাইয়ে, যখন এরবিলের কাছে একটি ঘাঁটিতে শত্রুভাবাপন্ন ড্রোন ধ্বংস করতে গিয়ে মারা যান এক মার্কিন সেনা সার্জেন্ট।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।