এরপর বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও চুক্তির কথা প্রকাশ্যে আসে ওয়াশিংটন থেকে। গেল আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, নতুন করে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে সেই পোস্টে উড়োজাহাজের সংখ্যা এবং কবে চুক্তি হবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর চলতি নিউইয়র্ক সফরেই এই চুক্তি সই হতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বোয়িং কিনছে এটা প্রকাশিত তথ্য। সুতরাং এই চুক্তি হতেও পারে। আমরা এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে যতটুকু জেনেছি, তথ্য এটুকুই আছে।
তবে স্টার নিউজকে বিমানের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, বুধবার নিউইয়র্ক সময় বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটেই চুক্তি সই হবে। যাতে বোয়িং থেকে কেনা হবে, আরও ১১টি উড়োজাহাজ। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে এতে সই করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বোয়িংযের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডন নেলসন। এই বিষয়টি সামনে রেখে নিউইয়র্কে গেছেন, বিমানের চেয়ারম্যান রুবি এ হোসেন।
তবে নতুন ১১টি উড়োজাহাজের মডেল, দাম, অর্থায়ন পদ্ধতি এবং সরবরাহের সময়সূচি এখনও জানা যায়নি। আগামী মাসে এয়ারবাসের সঙ্গেও একটি চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে পারে বাংলাদেশ।
বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এরমধ্যে ১৪টি বোয়িং ও বাকি ৫টি কানাডার কোম্পানির উৎপাদিত উড়োজাহাজ ড্যাশ-এইট।