ইস্তাম্বুলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শান্তি ফেরানোর এই মধ্যস্থতা খুব কঠিন ছিল। তুরস্ক এ অঞ্চলে শান্তি আনতে যেকোনো সাহায্য করতে প্রস্তুত। ইসরায়েলকে সতর্ক করে তিনি বলেন, সিরিয়া ও লেবাননসহ পুরো অঞ্চলের সংঘাতের ওপরই ইসরায়েলের টিকে থাকা নির্ভর করে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’। এই চুক্তিতে মূলত হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের ওপর থেকে কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞা কমানোর কথা বলা হয়েছে।
বিনিময়ে ইরান তাদের পারমাণবিক বর্জ্য ধ্বংস করবে। চুক্তির পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ আচরণ করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের আরও অর্থনৈতিক সুবিধা দেবে। চূড়ান্ত চুক্তির জন্য ৬০ দিন সময় পাওয়া যাবে।
ন্যায়বিচার চায় ইরান
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে কড়া ভাষায় জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাইবে। এটি তাদের দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য হয়ে থাকবে। এছাড়া, ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় সারা বিশ্বের বড় বড় নেতাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে, তিনি ও ইরানের মানুষ কতটা মহান।
ডেস্ক রিপোর্ট