দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যপণ্য, ওষুধ, প্রসাধনীসহ নানা ধরনের পণ্য ব্যবহার করা হয়। তবে অনেকেই কেনাকাটার সময় পণ্যের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ বা এক্সপায়ারি ডেট যাচাই করতে ভুলে যান। পণ্য কেনার আগে উৎপাদন ও মেয়াদ যাচাই করা নিরাপদ ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ ভোক্তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।
স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সহায়ক
মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য বা ওষুধ ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ওষুধের ক্ষেত্রে মেয়াদ পার হওয়ার পর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
খাদ্যের মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়
খাদ্যপণ্যের গায়ে উল্লিখিত তারিখ ভোক্তাকে পণ্যের সতেজতা ও মান সম্পর্কে ধারণা দেয়। মেয়াদ যাচাই করলে পুরোনো বা নিম্নমানের পণ্য কেনার ঝুঁকি কমে।
প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা কমে
কিছু ক্ষেত্রে বাজারে মেয়াদ শেষ হওয়া বা মেয়াদ পরিবর্তন করা পণ্য বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। কেনার আগে লেবেল ভালোভাবে পরীক্ষা করলে এ ধরনের প্রতারণা এড়ানো সহজ হয়।
পণ্যের লেবেল পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে
লেবেল পড়ার ফলে মেয়াদ দেখার পাশাপাশি উপাদান, সংরক্ষণ পদ্ধতি, সতর্কতা এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। এতে আরও সচেতনভাবে পণ্য নির্বাচন করা সম্ভব হয়। 4
ওষুধ কেনার সময় বাড়তি সতর্কতা জরুরি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, ওষুধ কেনার সময় উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ মিলিয়ে দেখা উচিত। প্যাকেটের ভেতর ও বাইরের তথ্য একই কি না সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।
সচেতন ভোক্তা হওয়ার একটি সহজ উপায়
কেনাকাটার সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ড ব্যয় করে মেয়াদ যাচাই করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি, আর্থিক ক্ষতি এবং অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তাই যেকোনো পণ্য কেনার আগে লেবেল দেখে মেয়াদ নিশ্চিত করার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।