এই বড় ধরনের সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট স্ট্রাইক গ্রুপ এবং দুই হাজারেরও বেশি মেরিন সেনাবহনকারী মেকিন আইল্যান্ড উভচর বাহিনী সান ডিয়েগো নৌঘাঁটি ছেড়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে নৌ ও বিমান শক্তির এই সমাবেশ ঘটানো হচ্ছে।
রুজভেল্ট ও মেকিন আইল্যান্ড বাহিনীর যাত্রার মধ্য দিয়ে পরিকল্পিত সেনা ও সরঞ্জাম পাঠানোর কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যেই এই বিশাল বহরের পূর্ণাঙ্গ মোতায়েন প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নভেম্বরের শেষ নাগাদ এই সমন্বিত বাহিনী পুরোপুরি অবস্থান নিলে ইরানের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বের সামনে একাধিক সামরিক বিকল্প খোলা থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা