বার্তা সংস্থা আনাদোলু এবং দ্য গার্ডিয়ানের তথ্যমতে, ট্রাম্প কোনো ইজারা বা স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে আগ্রহী নন, বরং গ্রিনল্যান্ডের স্থায়ী অধিগ্রহণই তার লক্ষ্য। ট্রাম্পের দাবি, গ্রিনল্যান্ড নিজেও চায় না রাশিয়া বা চীনের নিয়ন্ত্রণে যেতে, তাই নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব মেনে নেওয়াই তাদের জন্য যৌক্তিক। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তার প্রেসিডেন্সি চলাকালীন গ্রিনল্যান্ডে অন্য কোনো শক্তিশালী দেশের প্রভাব তিনি মেনে নেবেন না।
তবে ট্রাম্পের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার বিপরীতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন। স্থানীয় চারটি প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, গ্রিনল্যান্ডবাসী নিজেদের পরিচয় নিয়ে গর্বিত এবং তারা আমেরিকান বা ডেনিশ কোনোটিই হতে চান না। নিলসেনের মতে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একমাত্র অধিকার সেখানকার জনগণের। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই জটিল ইস্যুটি নিয়ে ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। (সূত্র: আনাদোলু ও দ্য গার্ডিয়ান)
ডেস্ক রিপোর্ট