তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ বৈঠকে আরাগচি বলেন, দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভকে পরিকল্পিতভাবে সহিংস রূপ দেওয়া হয়েছে যাতে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপের অজুহাত পায়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটন ফেরার পথে সাংবাদিকদের জানান, তার সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পর ইরানি নেতৃত্ব আলোচনার জন্য যোগাযোগ করেছে এবং এ লক্ষ্যে একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
উত্তেজনা প্রশমনে পর্দার অন্তরালে কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, সরাসরি কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও আরাগচি ও ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগের একটি চ্যানেল সচল রয়েছে। এই বার্তার মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী দুই পক্ষ তথ্য আদান-প্রদান করছে। মূলত ট্রাম্পের ‘কঠোর পদক্ষেপে’র হুমকির পর ইরান একদিকে যেমন নিজেদের সামরিক প্রস্তুতির কথা বলছে, তেমনি আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের সম্ভাবনাকেও নাকচ করছে না।
ডেস্ক রিপোর্ট