মিলার তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সরাসরি ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে নেই, তবুও দেশটির বাইরের অবস্থান থেকেই তারা সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে। বর্তমানে ভেনেজুয়েলা কোন দেশের সাথে বাণিজ্য করবে কিংবা বিশ্ববাজারে তাদের তেলের লেনদেন কীভাবে হবে, তার প্রতিটি শর্ত ও নিয়ম নির্ধারণ করে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার ফলে ভেনেজুয়েলা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে যেকোনো আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য তাদের সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির ওপর নির্ভর করতে হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, মিলারের এই বক্তব্য ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি চরম অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। মিলার মনে করেন, এই অর্থনৈতিক পঙ্গুত্বই ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিয়েছে। একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দেশটি যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাস্তব দুনিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য যেখানে থাকে, নিয়ন্ত্রণও সেখানেই অবস্থান করে। (সূত্র: সিএনএন)
ডেস্ক রিপোর্ট