প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার মূলে রয়েছে ভেনেজুয়েলার তেল খাতের পুনর্জাগরণ। তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন বড় বড় তেল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার বিধ্বস্ত তেল অবকাঠামো মেরামতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। এই বিপুল ব্যয়ের বোঝা সরাসরি করদাতাদের ওপর পড়বে না; বরং তেল কোম্পানিগুলো এই বিনিয়োগ করবে এবং পরবর্তীতে উত্তোলিত তেলের লভ্যাংশ বা সরাসরি রাজস্বের মাধ্যমে তাদের সেই অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ট্রাম্প মনে করেন, ভেনেজুয়েলার এই প্রাকৃতিক সম্পদই দেশটির ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি এবং এর মাধ্যমেই দেশটিকে আবার 'সুস্থ' করে তোলা সম্ভব।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অবস্থান ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে একটি দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার প্রক্রিয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে নিকোলাস মাদুরোর পতনের পর থেকে ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ এখন কার্যত ওয়াশিংটনের হাতে। যদিও বিরোধী দলগুলো দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল, তবে ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক মন্তব্যে স্পষ্ট যে, আগামী অন্তত ১৮ মাস বা তার বেশি সময় মার্কিন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নই হবে মূল অগ্রাধিকার। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে কোনো নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। (সূত্র: এনবিসি নিউজ)
ডেস্ক রিপোর্ট