ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ: ট্রাম্পের সমঝোতার দাবি উড়িয়ে দিয়ে ‘স্বাধীনতার’ ডাক
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৪-০১-২০২৬ ১০:৩৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৪-০১-২০২৬ ১০:৩৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মাদুরোর বন্দি হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার শাসনভার আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। দেশটির সুপ্রিম ট্রাইব্যুনাল অব জাস্টিস (STJ) এক জরুরি আদেশে তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম প্রকাশ্য ভাষণে দেলসি রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘বর্বর’ ও ‘সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলা আর কখনোই কোনো শক্তির ‘উপনিবেশ’ হবে না। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা ‘গোপন সমঝোতার’ দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়ে তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
৫৬ বছর বয়সী দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে এক অত্যন্ত প্রভাবশালী ও দুর্ধর্ষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তিনি একাধারে দেশটির অর্থ ও তেল মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন, যা তাকে মাদুরো বলয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী নাগরিকে পরিণত করেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংবিধানের ২৩৩ ও ২৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি এখন রাষ্ট্র পরিচালনার পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। ২০১৩ সাল থেকে ‘শাভিস্তা’ আন্দোলনের অন্যতম স্তম্ভ দেলসি এর আগে তথ্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, তিনি কোনো ‘নরমপন্থী’ নেতা নন; বরং আন্তর্জাতিক মঞ্চে মাদুরো সরকারের কট্টর রক্ষক হিসেবেই তার পরিচিতি দীর্ঘদিনের।
ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়ে দেলসি রদ্রিগেজ অভিযোগ করেন, এই হামলার একমাত্র লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার জ্বালানি, খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ দখল করা। তিনি এই আগ্রাসনের পেছনে ‘জায়নিস্ট প্রভাব’ রয়েছে বলেও দাবি করেন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, দেলসি রদ্রিগেজ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। ট্রাম্পের এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে দেলসি বলেন, এটি জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর একটি অপকৌশল মাত্র। মাদুরোকে একমাত্র বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে মান্য করে তিনি রাজপথে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। পর্দার আড়ালে কোনো আলোচনা চলছে কি না তা নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও, দেলসির অনমনীয় অবস্থান লাতিন আমেরিকায় নতুন সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
(সূত্র: রয়টার্স ও সিএনএন)
(সূত্র: রয়টার্স ও সিএনএন)
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।