৫৬ বছর বয়সী দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে এক অত্যন্ত প্রভাবশালী ও দুর্ধর্ষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তিনি একাধারে দেশটির অর্থ ও তেল মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন, যা তাকে মাদুরো বলয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী নাগরিকে পরিণত করেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংবিধানের ২৩৩ ও ২৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি এখন রাষ্ট্র পরিচালনার পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। ২০১৩ সাল থেকে ‘শাভিস্তা’ আন্দোলনের অন্যতম স্তম্ভ দেলসি এর আগে তথ্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, তিনি কোনো ‘নরমপন্থী’ নেতা নন; বরং আন্তর্জাতিক মঞ্চে মাদুরো সরকারের কট্টর রক্ষক হিসেবেই তার পরিচিতি দীর্ঘদিনের।
ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়ে দেলসি রদ্রিগেজ অভিযোগ করেন, এই হামলার একমাত্র লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার জ্বালানি, খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ দখল করা। তিনি এই আগ্রাসনের পেছনে ‘জায়নিস্ট প্রভাব’ রয়েছে বলেও দাবি করেন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, দেলসি রদ্রিগেজ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। ট্রাম্পের এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে দেলসি বলেন, এটি জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর একটি অপকৌশল মাত্র। মাদুরোকে একমাত্র বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে মান্য করে তিনি রাজপথে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। পর্দার আড়ালে কোনো আলোচনা চলছে কি না তা নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও, দেলসির অনমনীয় অবস্থান লাতিন আমেরিকায় নতুন সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
(সূত্র: রয়টার্স ও সিএনএন)
(সূত্র: রয়টার্স ও সিএনএন)
ডেস্ক রিপোর্ট