প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার ভোরে পরিচালিত এই অভিযানে মার্কিন বাহিনী সর্বাধুনিক অস্ত্র ও আকাশপথের সুরক্ষা ব্যবহার করে। তবে জনবহুল এলাকার কাছাকাছি এই অভিযান চলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং গোলার আঘাতে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিহত ৪০ জনের মধ্যে কতজন সরাসরি যুদ্ধের অংশ ছিলেন আর কতজন নির্দোষ বেসামরিক নাগরিক, তার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ভেনেজুয়েলার বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধার তৎপরতাও ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই অভিযানকে ‘অসম’ যুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করে বেসামরিক নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছে। কারাকাসের পক্ষ থেকে এই হামলাকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত এবং সরাসরি হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, নিহতের সংখ্যা বা বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট দাপ্তরিক ব্যাখ্যা প্রদান করেনি। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর ভেনেজুয়েলা জুড়ে শোক ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ডেস্ক রিপোর্ট