সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক বার্তায় সাইফুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির খুনিদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে অন্তর্বর্তী সরকারের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার একদিকে খুনিদের ব্যাপারে নীরব, অন্যদিকে কোনো বাছ-বিচার ছাড়াই ধর্মপ্রাণ মানুষদের গ্রেপ্তার করছে। এই দ্বিমুখী নীতির প্রতিবাদে এবং খুনিদের গ্রেপ্তারে চাপ সৃষ্টি করতে প্রবাসীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠানো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন। মূলত সোমবারের মধ্যে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এই শাটডাউন কর্মসূচি বিশ্বব্যাপী কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
এই ঘোষণার পরপরই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তামিম রেজা নামের এক প্রবাসী ফেসবুকে সংহতি জানিয়ে লিখেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খুনিরা আইনের আওতায় না এলে সারা বিশ্বের প্রবাসীরা সম্মিলিতভাবে রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ রাখবেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারের উপদেষ্টারা বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও ওসমান হাদির পরিবার এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। শাহবাগে অবস্থানরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরাও প্রবাসীদের এই সংহতিকে আন্দোলনের নতুন শক্তি হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ মোড় বর্তমানে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, খুনিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। প্রবাসীদের এই নতুন আল্টিমেটাম বর্তমান পরিস্থিতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।