আইএসপিআর জানায়, গত ১৯ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীদের অবস্থানের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ডেরা ইসমাইল খান ও বান্নু জেলায় সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। ডেরা ইসমাইল খানে প্রথম অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সম্মুখযুদ্ধে চার সন্ত্রাসী নিহত হয়। অন্যদিকে, বান্নু জেলায় পরিচালিত দ্বিতীয় অভিযানে আরও পাঁচজনসহ মোট ১৪ জনকে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে। নিহত এসব সশস্ত্র সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর অতর্কিত হামলাসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
এই অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে এখনো কিছু সন্ত্রাসী ঘাপটি মেরে থাকতে পারে, যাদের নির্মূলে ‘স্যানিটাইজেশন’ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)—যাকে পাকিস্তান এখন ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ হিসেবে অভিহিত করছে—সীমান্তবর্তী এলাকা ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সহায়তা নিয়ে পাকিস্তানে হামলা পরিচালনা করছে। এই ইস্যুতে আফগান তালেবান সরকারের সঙ্গেও ইসলামাবাদের টানাপোড়েন এখন তুঙ্গে।
ডেস্ক রিপোর্ট