ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, ইরান বর্তমানে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়িয়ে চলেছে। তেল আবিবের আশঙ্কা, ইরান যদি বর্তমান গতিতে তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়, তবে অদূর ভবিষ্যতে প্রতি মাসে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হবে তেহরান। ইসরাইল মনে করছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কেবল তাদের দেশের জন্যই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এবং মার্কিন স্বার্থের জন্যও এক বড় ধরনের ‘ইমারজেন্সি’ বা জরুরি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার দ্বার খোলা রাখার ইঙ্গিত দিলেও কঠোর হুঁশিয়ারি বজায় রেখেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরান যদি কোনো টেকসই চুক্তিতে না এসে নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি বা পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়াতে থাকে, তবে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। মূলত ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব কমিয়ে আনতে এবং তাদের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করতে ইসরাইল এখন থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কৌশলগত সমীকরণ মেলাতে শুরু করেছে।
দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। এর আগে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইসরাইল সীমিত পরিসরে পাল্টা আক্রমণ চালালেও, এবার তাদের লক্ষ্য ইরানের মূল ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলো স্থায়ীভাবে অকেজো করে দেওয়া। ট্রাম্পের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে চলছে নানা সমীকরণ ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ।
ডেস্ক রিপোর্ট