উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ: বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনেই নতুন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, হাইকোর্টের নির্দেশে নিরাপত্তা জোরদার
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৬-১২-২০২৫ ০১:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-১২-২০২৫ ০১:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঠিক ৩৩ বছর পূর্তির দিনটিকে বেছে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় নতুন এক মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সদ্য বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ূন কবীর। আজ, শনিবার (৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে এই বিতর্কিত অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা। এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদে যাতে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর আসনের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের এই পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। তাঁর এই ঘোষণার পরই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস তাকে বহিষ্কার করে, যার প্রতিক্রিয়ায় আগামী ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজনৈতিক দল গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর আসনের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের এই পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। তাঁর এই ঘোষণার পরই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস তাকে বহিষ্কার করে, যার প্রতিক্রিয়ায় আগামী ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজনৈতিক দল গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
বাবরি মসজিদের নাম ব্যবহার করে নতুন মসজিদ নির্মাণের এই উদ্যোগের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, সম্ভাব্য উত্তেজনা থামাতে এবং শান্তি বজায় রাখতে যা যা করা দরকার, তার সবই করতে হবে। আদালতের এই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন নিরাপত্তার ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে সতর্ক।
রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত আদালতকে জানিয়েছেন, যেকোনো অশান্তি এড়াতে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল রাজদীপ মজুমদার উল্লেখ করেছেন যে, সিআইএসএফের ১৯টি কোম্পানি ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে উপস্থিত রয়েছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে র্যাফের ইউনিটসহ প্রায় ৩৫০০ জনের একটি দল রেজিনগর এবং আশেপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও, ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের সুরক্ষার জন্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) দুটি কোম্পানিকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বিধায়ক হুমায়ূন কবীর জানিয়েছেন, দুপুর ১২টায় মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে এবং সেখানে দুই ঘণ্টা কোরআন পাঠ করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, অনুষ্ঠানে কোনো বক্তৃতা, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, দলীয় পতাকা বা রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর থাকবে না। তিনি ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে উপস্থিত থাকবেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।