সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন জানান, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স এলাকার পুকুরপাড়ে বহিরাগতদের আনাগোনা ও কয়েকজন শিক্ষার্থীর নিয়মিত উপস্থিতি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সন্দেহে ফেলে। কয়েকদিন নজরদারি ও রেকির পর বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সোমবার গভীর রাতে বাড়িটি ঘিরে ফেলা হয়। আটক সুমনের সঙ্গে থাকা নারী তার স্ত্রী নন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।
তল্লাশিতে ঘরের পেছনে তৈরি কারখানা থেকে প্রায় ৩০ লিটার গরম মদ, ডেকছি ভর্তি ৫ লিটার তৈরি মদ, ভরা বোতল–খালি বোতল, বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং মদ বিক্রির হিসাব বহি উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে বন্য শুকর, হরিণ ও বন্য মুরগিসহ বিভিন্ন প্রাণী শিকারে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রও পাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীরও নিয়মিতভাবে তার কাছ থেকে মদ কেনার তথ্য মিলেছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। অভিযানে সহযোগিতা করে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনস্পেক্টর মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে পুলিশ দল। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লিজকৃত জমিতে অবৈধভাবে মদ উৎপাদন ও বাণিজ্য চালানোর ঘটনায় লিজ বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি অনুমতিহীনভাবে গাছ কাটার কারণে লিজগ্রহীতার বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট