ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ শনিবার (২২ নভেম্বর) জানান, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং হলগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি রয়েছে। প্রতিটি হলে কারিগরি পর্যবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য প্রকৌশলীদের প্রাথমিকভাবে ৪ সপ্তাহ সময় লাগার কথা থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট ২ সপ্তাহ সময় অনুমোদন করেছে। সেই কারণে শিক্ষার্থীদের হল খালি করতে হবে।
হল ছাড়ার সময় শিক্ষার্থীদের রুম পর্যবেক্ষণের জন্য সকল চাবি সংশ্লিষ্ট হাউজ টিউটরদের হাতে হস্তান্তর করতে হবে। প্রক্টর জানান, হলগুলোর স্থাপত্য ও নিরাপত্তা যাচাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় খোলা হবে।
এ পদক্ষেপের ফলে আগামী ১৫ দিন শিক্ষার্থীদের ক্লাস এবং পরীক্ষা স্থগিত থাকবে, তবে পরবর্তীতে সকল কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পুনরায় শুরু হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট